চিরিরবন্দরে বিলুপ্ত প্রায় ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

মিজান চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে ক্রীড়া প্রতিযেগিতায় চিরিরবন্দরে বিলুপ্ত প্রায় ঘোড়দৌঁড় প্রতিযেগিতা উপভোগ করলো হাজারো মানুষ। গত ২৩শে ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের কালঠা শাহ্পাড়া মাঠে এ ঘৌড়দৌঁড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠিত ওই ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগিতা দেখতে খোলা মাঠে উপস্থিত হয়েছিল আশপাশের ক’টি গ্রামের হাজারো মানুষ। দুপুরের পর থেকেই বির্স্তীত মাঠের চাদিক থেকে দর্শকরা আসকে থাকে। ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগিতান উদ্বোধন ঘোষণা করলে করতালির মধ্য দিয়ে শুরু হয় ঘোড়দৌঁড় উৎসব। প্রতিযোগিতায় খানসামায় উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের নলবাড়ি গ্রামের অরুণ চন্দ্র রায় প্রথম, দিনাজপুর সদর উপজেলার রাণীগঞ্জের মো. আব্দুল কুদ্দুস দ্বিতীয় এবং খানসামা উপজেলার চৌরঙ্গী গ্রামের রবিউল ইসলাম তৃতীয় স্থান লাভ করেন। সমাপনী অনুষ্ঠান আব্দুল কাফির সভাপতিত্বে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন বাদল, ইউপি চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ লুনার, মামুনুর রশিদ বাদল, আব্দুর রউফ মাহ্, রবিউল ইসলাম মাষ্টারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আয়োজকরা জানান, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে প্রতিবছর এ খেলা আয়োজন করবে তারা। আয়োজকর ক’জন তরুন জানান, আয়োজনে অনেক কষ্ঠ হলেও মানুষকে আনন্দ দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। ছবি আছে।##

চিরিরবন্দরে গৃহবধুকে হাত-পা বেঁধে মারধর থানায় অভিযোগ

চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ চিরিরবন্দর উপজেলার পল্লীতে গৃহবধুকে হাত-পা বেঁধে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে স্বামী ও শ্বাশুরী। প্রতিবেশীগণ আহত অবস্থায় ওই গৃহবধুকে উদ্ধার করে চিরিরবন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রো হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৩শে ডিসেম্বর দুপুর দেড়টায় উপজেলার আউলিয়াপুকুর ইউনিয়নের উত্তর ভোলানাথপুর গ্রামের আফরশাহ পাড়ায়। গতকাল ২৫শে ডিসেম্বর সোমবার দুপুরে চিরিরবন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রো চিকিৎসাধীন দু’ সন্তানের জননী আগত কারিমা বেগম (২৫) জানান, বাড়িতে খড়ি না থাকায় ঘটনার দিন দুপুরে স্বামীকে ধান গাছের জমা লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে এবং গলায় দড়ি বেধে চৌকির পার্শ্বে রেখে দেয়। প্রতিবেশীগণ এক পর্যায়ে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দড়ি খুলে দিলে স্বামী ও শ্বাশুরী তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এরপর প্রতিবেশীরা আহত অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রো হাসপাতালে ভর্তি করে। ওই নির্যতিত গৃহবধুর ভাই ফারুক জানায়, আমার বাড়ি বিরল উপজেলায় বাজনাহার গ্রামে। সংবাদ পাওয়া মাত্র দ্রুত এসে চিরিরবন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করি। চিরিরবন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রোর ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা: মর্তুজা আল মামুন জানান, ওই রোগীকে শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। এখন সুস্থ্য, তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। তবে পুরোপুরি সুস্থ্য হতে সময় লাগবে।

প্রতিবেশি ক’জন জানান, ওই গৃহবধুর স্বামী শাহজাহান আলী ও শ্বাশুরী নুরজাহান বেগম প্রায়ই তার বউকে নির্যাতন করে থাকে। তবে শ্বশুর অহেদ আলী খুব ভাল। সেদিন আমরা এগিয়ে গিয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। এ ঘটনায় শাহজাহান আলীর বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি ও চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারেসুল ইসরাম জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করা হচ্ছে, প্রমাণিত হলে দ্রুত অইনানুগ ব্যবস্থ্য নেয়া হবে।#

খানসামায় গাঁজা ব্যবসায়ী আটক পরে জেল হাজতে প্রেরণ

চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় শুভ দাস নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে খানসামা থানা পুলিশ। থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪শে ডিসেম্বর রাত ২টায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই উত্তম কুমারের নেতৃত্বে এ এস আই শাহনেওয়াজ ও দুলাল মিয়া, কনস্টেবল রতন অধিকালী, বাবুল হোসেন, মাখন লাল মিলে খানসামা সুপার মার্কেট সংলগ্ন সাবলু মিয়ার হোটেলের পিছনে আত্রাই নধীর তীরে বীরগঞ্জ কাশীপুর এলাকার সেবা দাসের ছেলে শুভ দাসকে গাঁজা বিক্রয় অবস্থায় হাতেনাতে আটক করেছে থনা পুলিশ। পওে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ১৯৯০ (সংশোধনী/০৪) এর ১৯/১১ টিবিল ৭(ক) বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে গাঁজা অবৈধভাবে নিজ দখলে রাখার অপরাধে থানায় মামলা নং ০৮ তাং ২৫/১২/১৭ করে এস আই উত্তম কুমার রায় বাদী হয়ে মামলা করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এ বিষয়ে অফিসার ইনজার্জ আব্দুল মতিন জানান, খানসামা উপজেলাকে মাদকমুক্ত রাখতে মাকদদ্রব্র উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে। এছাড়াও গতরাতে দেড় টায় নীলফামারী জেলার সি.আর এর মামরার ওয়ারেন্টবুক্ত আসামী উপজেলার ভাবকির রামনগর গ্রামের সুরেশ চন্দ্র রায়ের ছেলে মনমোহন (৪০) কে আটক করেছে খানসামা থানা পুলিশ।#

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed.