লালমনিরহাটে তীব্র শীত আর ঘনকুয়াশায়.. বিপদে নিম্নবিত্ত হত দরিদ্র

সজিব আলম,লালমনিরহাট প্রতিনিধি :
হিমালয়ের কোল ঘেঁষা সীমান্তের সর্বউত্তরের জেলা লালমনিরহাট। উত্তরবঙ্গের এ জেলায় গত এক সপ্তাহ থেকে তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশায় সূর্য্যের দেখা পাওয়া খুবই কঠিন অবস্থা হয়ে দাড়িয়েছে। অন্যদিকে সূর্য্য পশ্চিম আকাশে ঠিকভাবে না গড়াতেই চারদিকে কুয়াশার চাঁদরে মুড়ি দেয় দিনের আলো। রাতের অন্ধকার বাড়ার সাথে সাথে শীত এবং কুয়াশার তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। শীতের তীব্রতায় সাধারন নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়ে দিচ্ছে দিনের পর দিন। বিশেষ করে লালমনিরহাট জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা, ধরলা নদীর ভাঙন কবলিত কুড়িটি চড়ে আশ্রয়হীন নিম্নবিত্ত অসহায় মানুষগুলোর ভোগান্তি বেশী বেড়েছে এই তীব্র শীতে । বন্যার পানি আর নদী ভাঙনে ভিটেমাটি ফসলি জমি হারিয়ে জীবন বাঁচাতে এসব মানুষ সরকারি বাঁধে, উচুঁ রাস্তায় এবং জেগে উঠা চরে আশ্রয় নিয়ে কোন রকম ঝুঁপড়ি ঘর তুলে বসবাস করছে।

এদিকে শীতের তীব্রতায় ঠান্ডাজর্নিত রোগে জেলার চারটি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শ্বাসকষ্ট এবং শিশুদের নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। গড়ে প্রতিদিন ২০/২৫ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। লালমনিরহাট জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ কাশেম আলী জানান, শীতের তীব্রতায় বয়োঃবৃদ্ধ এবং শিশুদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট এবং নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব বেশী তাই শিশুদের এবং বয়স্কদের ঠান্ডা না লাগানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।

শীতের তীব্রতা আর ঘন কুয়াশার কারনে অনেক যানবাহনের সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়েছে।#

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed.