পার্বতীপুরে উদ্ধার হওয়া মূর্তি পিতল না স্বর্ণ

নিজিস্ব প্রতিনিধিঃ
পার্বতীপুরে উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি পিতলের, নাকি স্বর্ণের ? উদ্ধারের দীর্ঘ ২৬ ঘন্টার পরে প্রশাসনের কাছে সেটি হস্তান্তরের হেতু কি। এ প্রশ্নগুলো সমগ্র উপজেলায় সব মানুষের মুখে মুখে ফিরছে এখন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেহানুল হক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি পিতলের। এটি পরীক্ষা করা হবে। বিলম্বে প্রশাসনকে অবহিত করার ব্যাপারটি খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি উলে¬খ করেন। সংবাদ পেয়ে তিনি এসআই সাদেকুল ইসলামকে সাথে নিয়ে আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের ঝাড়-য়াডাঙ্গা হাই স্কুলে যান। স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন এর কাছ থেকে ৩০০ গ্রাম ওজনের ৪ ইঞ্চি লম্বা একটি লক্ষ্মী মূর্তি উদ্ধার করেন। এসময় তিনি জানতে পারেন, বিদ্যালয়েরর ৮ম শ্রেণি ছাত্রী মমতাজ বেগম গত মঙ্গলবার সকাল ১০টায় এ মূর্তি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নির্মল চন্দ্র রায়ের কাছে জমা দেয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, মূর্তিটি তার বিদ্যালয়ের ছাত্রী আশ্রয়ণ প্রকল্পের পুকুর সংলগ্ন রাস্তায় কুঁড়িয়ে পেয়ে স্কুলের শিক্ষকের কাছে জমা দেন। ছাত্রীর বাড়ী চৈতা পাড়া গ্রামে। প্রধান শিক্ষক আরো বলেন, হাবড়া হাট থেকে রুপকুমার নামে একজন স্বর্ণ শিল্পি কে ডেকে এনে মূর্তিটির পরীক্ষা করা হয়।

পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল হক প্রধান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মূর্তি পাওয়ার বিষয়টি ঝাড়-য়াডাঙ্গা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক বুধবার সকাল ১০টায় আমাকে অবহিত করেন। #

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed.