ফুলবাড়ীয়ায় ৭২ দিন পর অপহৃত মেহেদী হাসানের লাশ উদ্ধার গ্রেফতার-২

মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ, (ফুলবাড়িয়া) ময়মনসিংহঃ
ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ২৩ মে বুধবার রাতে অপহৃত মেহেদী হাসানের লাশ ফুলবাড়ীয়া উপজেলার কেশেরগঞ্জ বাজার মাছ মহল ঘাতক তোষারের ঘর থেকে উদ্ধার। দুই ঘাতক তোষার ও আল আমিন গ্রেফতার।
মেহেদী হাসান বাবু। পলাশীহাটা স্কুল এন্ড কলেজের মেধাবী ছাত্র। এবছর এস এস সি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিল। ময়মনসিংহেরর ফুলবাড়ীয়া উপজেলার নাওগাও ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের প্রবাসী শাহজাহানের মেজু পুত্র।
যে কারনে খুন হয় মেহেদী:
একই স্কুল এন্ড কলেজের মেহেদীর বান্ধবিকে উক্ত্যাক্ত করে তুষার। উক্ত্যাক্তর প্রতিবাদ করে মেহেদী। এঘটনায় মেহেদীর সাথে দ্বন্ধ চলে আসছিল তুষারের। গত ৬ মার্চ দুপুরে মেহেদীকে বাড়ি থেকে কেশেরগঞ্জ পশ্চিম বাজারে ডেকে আনেন বন্ধু তুুষার। কেশরগঞ্জ বাজারে তুষারদের ঘরে আল আমিন ও তুষার দুই বন্ধু মিলে দুপুরেই হত্যা করে মেহেদীকে।
ঘাতক আল আমিনের মতে মেহেদীর গারে লাঠি দিয়ে আঘাত করে তুষার। এরপর মেহেদীর মৃত্যু নিশ্চিত হলে,বাড়ি থেকে কুদাল নিয়ে এসে ঐ ঘরের মেঝেতে গর্ত করে দুই বন্ধু মিলে লাশ পুতে রাখে।
যে ভাবে অপহরণের ঘটনা সাজানো হয়:
হত্যার পরের দিন ঘাতক তুষার মেহেদীর মোবাইলেরর সিম নিয়ে চলে যায় ঢাকা। ঢাকা থেকে মেহেদীর সিম থেকে তার মায়ের কাছে ৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করেন। এরপর সেই মোবাইল সেট ও সিম ফেলে দেয়। যাতে করে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ও তার পরিবারের সন্দেহ হয় তাকে অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
হত্যার ৭২ দিন পর বুধবার রাতে ঘাতকদের নিয়ে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে ফুলবাড়ীয়ার কেশরগঞ্জ পশ্চিম বাজার তুষারদের ঘরের মেঝের মাটি খুড়ে মেহেদীর গলিত লাশ উদ্ধার করে। এঘটনায় জড়িত তুষার ও আল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়।
হত্যার সাথে অন্য আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা দুই ঘাতককে জিঙ্গাসাবাদ ও তদন্তে বের হয়ে আসবে বলে জানিয়েছেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের এস আই পরিমল চন্দ্র দাস। #

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed.