সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার দাবীতে রাজাপুরে মানববন্ধন

রাজাপুর (ঝালকাঠি) সংবাদদাতা: রাজধানীতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম(বিএমএসএফ) রাজাপুর উপজেলা শাখার গনমাধ্যমকর্মীরা।

রোববার (১২আগস্ট) দুপুরে রাজাপুর প্রেসক্লাবের সামনে আধা ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।

এসময় মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,রাজাপুর প্রেস ক্লাবের ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম( বিএমএসএফ) রাজাপুর শাখা সভাপতি মোঃ আহসান হাবিব সোহাগ, দৈনিক বর্তমান ও বাংলাদেশের খবর পত্রিকার রাজাপুর প্রতিনিধি ও বিএমএসএফ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুল ইসলাম ফরাজি প্রমুখ। এ সময় প্রিন্ট ও অন লাইন সাংবাদিকবৃন্দ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন- পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যে সকল সাংবাদিকরা মুখোশধারীদের হাতে হামলার স্বীকার হয়েছে সে সকল হামলাকারীদের বিচার চাই। সে যে কোন দলের বা অন্য কোন পন্থী হোক না কেন তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। যদি এর সঠিক বিচার না হয় তাহলে আমরা কঠোর কর্মসূচি গ্রহন করতে বাধ্য হবো।

বক্তারা বলেন, দেশব্যাপী সাংবাদিকরা নির্যাতন হচ্ছে। বিভিন্ন সময় ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। এসব পরিস্থিতি মোটেও কাম্য নয়। মামলা-হামলা করে সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশে অবরুদ্ধ করা যাবে না। রাজধানীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয় সমাবেশে। #

রাজাপুরে শিক্ষকের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ক্লাশ বর্জন

মো: সাইদুল ইসলাম, রাজাপুর (ঝালকাঠি) সংবাদদাতা: ঝালকাঠির রাজাপুরের কেওতা ঘিগড়া সিনিয়র মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক সত্যজিৎ মাতুব্বর’র বিচারের দাবীতে শিক্ষার্থীরা ক্লাশ বর্জন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার দুপুরে সরেজমিন গেলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের পঞ্চম শ্রেনির শিশু শির্ক্ষীরা আরবীতে আল্লাহু শব্দটি বড় অক্ষরে লিখে ক্লাশ রুমের দেয়ালে লাগিয়ে রাখলে ঐ শিক্ষক ক্লাশ নিতে গিয়ে আল্লাহু শব্দটি লাগানো দেখে শিক্ষার্থীদের দার করিয়ে এসব লিখছো কেন বলেই তাহাদেরকে বেত্রাঘাত করে। মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা ক্লাশ রুমে বড় অক্ষরে আল্লাহু শব্দটি লিখে দেয়ালে লাগিয়ে রাখি কিন্তু তা অন্য শিক্ষকরা দেখে কিছু বলেননি কিন্তু আমাদের সত্যজিৎ স্যারে এটা দেখেই আমাদেরকে জিজ্ঞাসা করে এবং আল্লাহু শব্দটির উপরে বেত দিয়ে খুচিয়ে বলে এটা লিখছো কি, কেন লিখছো যারা লিখছো তারা দারাও। আমরা দারালেই আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদেরকে ৪টি করে পিঠান দেয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক সত্যজিৎ মাতুব্বরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বিকার করে বলেন ওরা ক্লাশ রুমে নোংরা করার কারনে আমি শুধু দুএকটি চড় থাপ্পড় দিয়ে ওদের ভিতরে ভঅতি তৈরি করেছি। এছাড়া আরও যদি কিছু করে থাকি তাহলে আমার পিন্সিপাল আছে তা সে দেখবে।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি বিষয়টি শুনেছি এবং শিক্ষার্থীরা আমার কাছে এলে আমি তাদেরকে শান্ত করে ক্লাশে ফিরে যেতে বলেছি আর এ বিষয়ের সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিব।

এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আফরোজা বেগম পারুল বলেন, আমি বিষয়টি শুনে আমার উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজারকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়েছি। #

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*