শেখ হাসিনার উন্নয়ন বার্তা পৌছে দিতে ঈশ্বরদীতে বিশাল গণমিছিল


ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি:
ঈশ্বরদীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন উন্নয়ন বার্তা মানুষের মাঝে পৌছে দিতে বিশাল গণমিছিল করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম লিটন। শনিবার সন্ধ্যায় ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়ায় বিশাল উন্নয়ন র‌্যালী শেষে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালীটি দাশুড়িয়া এম এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন ট্রাফিক মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফ আলীর সভাপতিত্বে পথ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম লিটন। সে সময় উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাাদক ইছাহক আলী মালিথা, সলিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নায়েক (অবঃ) এম এ কাদের, ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক ভিপি ইমরুল কায়েস দারা, মুলাডুলি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান ফান্টু মন্ডল, সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক জোয়াদ্দার, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলী মন্ডল, সাহেব আলী মেম্বার, আ’লীগ নেতা এনামুল হক মেম্বার, সূর্য প্রামানিক, ঈশ্বরদী উপজেলা যুব মহিলা লীগের আহবায়ক আতিয়া ফেরদৌস কাকলী, পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন, মুলাডুলি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি খন্দকার মিলন, মুলাডুলি ইউনিয়ন কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক কবির মালিথা, পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক সজিব মালিথা, যুবলীগ নেতা মতিউর রহমান পিন্টুসহ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মীর।

রফিকুল ইসলাম লিটন বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা এদেশের মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার নিশ্চিত করেছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলেছেন। এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম ছিল না। শত বুলেট শেখ হাসিনাকে তাকে তাড়া করে ফিরেছে। তিনি স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দূর্গম পথ পাড়ি দিয়ে এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন।

লিটন বলেন, আমি এমন একটি ঈশ্বরদী গড়ে তুলেছেন চাই, যেখানে কোন সাংবাদিক হামলার শিকার হবে না। ছাত্রলীগ ও যুবলীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি অবিচল থাকবে। আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা হবে না, তাদের কারাগারে যেতে হবে না। তাদের হত্যার শিকার হতে হবে না, তাদের পঙ্গুত্ব বরণ করতে হবে না। আমি নির্যাতিত নিপীড়িত ও অবহেলিত আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। আমি সব সময় অন্যায় ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি। দূর্নীতি আর অনিয়মকে প্রতিহত করেছি। এ জীবনে বহু রক্তচক্ষু উপেক্ষা করতে হয়েছে। জীবনে বহুবার প্রাণনাশের হুমকি এসেছে। তবুও আমি দলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের পাশে রয়েছি। বঙ্গবন্ধু আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়েছি, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়েছি, কারাগারের রোজনামচা পড়েছি। বঙ্গবন্ধু আমাদের শিক্ষক, আমাদের কেউ হুমকি দিয়ে, রক্ত চক্ষু দেখিয়ে কোন লাভ হবে না।

আগামীতে জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তাহলে আপনাদের সাথে নিয়ে সুন্দর ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া গড়ার জন্য কাজ করবো। তাছাড়া নৌকা মার্কা শেখ হাসিনা যাকে দিবেন তাঁর পক্ষেই কাজ করবো। তবে, যারা দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা, মামলা করবে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলেও পথ সভা থেকে হুসিয়ারী উচ্চারণ করেন তিনি। #

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed.