গ্যাস সঞ্চালন লাইন স্থাপন অনুমোদন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সৈয়দপুরে আনন্দ র‌্যালী


জয়নাল আবেদীন হিরো, সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি ঃ
বগুড়াসহ সৈয়দপুরে গ্যাস সঞ্চালন লাইন স্থাপন অনুমোদন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ র‌্যালী করেছে সৈয়দপুর আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগসহ অঙ্গসংগঠন।

৬ নভেম্বর রাতে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিশাল আনন্দ র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে পুলিশ বক্সে গিয়ে এক পথ সভায় মিলিত হয়। পথ সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন বাদল, পৌর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবু, সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, আওয়ামীলীগ নেতা অধ্যক্ষ সাখাওয়াৎ হোসেন খোকন, জোবায়দুর রহমান শাহিন, ছাত্রলীগের নজির হোসেন, শিফাত আহম্মেদ সরকার, মোশারফ হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের মিজানুর রহমান লিটন প্রমুখ।

র‌্যালীতে উপজেলা আওয়ামীলীগ, পৌর আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা লীগ, তাতী লীগ, মৎস্যজীবি লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়। উল্লেখ যে, গত ৪ নভেম্বর একনেক সভায় বগুড়া-রংপুর-সৈয়দপুরে লাইনে গ্যাস সঞ্চালন লাইন স্থাপন অনুমোদন হয়।#

সৈয়দপুরে মালিক কর্তৃক মজুরী কম দেওয়ায় শ্রমিকদের মানববন্ধ

জয়নাল আবেদীন হিরো, সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি ঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ট্রাঙ্ক-ড্রাম-বালতি মালিক কর্তৃক শ্রমিকদের মজুরী কম দেওয়ার প্রতিবাদে শ্রমিকরা মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। ৭ নভেম্বর দুপুরে শহরের শহীদ ডাঃ জিকরুল হক রোডে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। মানববন্ধন আয়োজন করেন ট্রাঙ্ক-ড্রাম-বালতি শ্রমিক ঐক্যজোট সৈয়দপুর। মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, শ্রমিক জোটের শাহীন, ওয়াসিম সনু, কালু ও ওয়ার্কার্স পাটির রুহুল আমিন মাষ্টার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ট্রাঙ্ক-ড্রাম-বালতি তৈরীর শ্রমিকদের মজুরী না বাড়িয়ে মালিক কর্তৃক পূর্বের থেকে ২০ টাকা করে কম দিচ্ছে। শ্রমিকরা বার বার মালিক কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোন কাজ হয়নি। এর আগেও আমরা কর্মবিরতি পালন করেছি। উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে স্বারকলিপি দেওয়ার পরও সুরাহা না হওয়ায় বাধ্য হয়ে মানববন্ধন করেছি। তার পরও যদি আমাদের দাবী মালিক পক্ষ মেনে না নেন তাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব। পূর্বের মজুরী দিয়েই আমাদের সংসার চলা কঠিন। তারপরেও আবার পূর্বের থেকে ২০ টাকা করে কম দেওয়া হচ্ছে। আমরা অন্য কোন পেশায় কাজ করতে পারি না। এ সুযোগ নিয়েছে মালিক পক্ষ। আমরা পূর্বের মূল্যই চাই। ৩-৪ দিনের মধ্যে দাবী মানা না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো। #

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed.