পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসক সংকটে, দেখার কেউ নাই

জাকির হোসেন।। দীর্ঘদিন থেকে চরমভাবে চিকিৎসক সংকটে রয়েছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট একমাত্র উপজেলা সরকারী হাসপাতালটি। পদোন্নতি পেয়ে অন্যত্র চলে যাওয়ায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পদটিও রয়েছে শুন্য। এমনকি হাসপাতালে যোগাযোগের ০১৭৩০-৩২৪৬৪৫ নাম্বার সম্বলিত মুঠোফোনটিও বিকল। ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম জানান, হাসপাতালটিতে চিকিৎসক সংকট থাকা সত্ত্বেও সীমিত জনবল দিয়েই সকলের আন্তরিকতায় আপ্রাণ চিকিৎসা সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এখানে সমস্যা অনেক, তবে সর্বাগ্রে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পদটি পুড়ন হওয়া জরুরী বলে মনে করেন তিনি। এখানে সার্জারি, মেডিসিন, গাইনি, ইএনটি, অর্থপেডিক্স, চক্ষু, এনেস্থিসিয়া, শিশু, কার্ডিওলজি, চর্ম ও যৌনসহ ১০ টি কনসাল্টেন্টের পদ থাকলেও শুধু মাত্র ১ জন গাইনি কনসালটেন্ট রয়েছেন। অপারেশন থিয়েটার সচল না থাকায় অলস সময় পার করছেন তিনিও। ডেন্টালসহ ৬ জন মেডিকেল অফিসারের পদ থকলেও রয়েছেন মাত্র ১ জন। তবুও আবার সংযুক্তি হিসাবে। ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত থাকবেন তিনি । ১ টি এক্সরে মেশিন থকলেও তা দীর্ঘদিন থেকে অকেজো। নাই টেকনিশিয়ান। মেডিকেল এসিসটেন্ট ৪ জনের স্থলে রয়েছেন ২ জন, পিয়ন ৪ জনের স্থলে ১ জন এবং কুক রয়েছেন ২ জনের স্থলে ১ জন । তাছাড়াও উপজেলায় ৮ টি কমিউনিটি হাসপাতালের ১ টিতেও কোনো মেডিকেল অফিসার নাই। এবিষয়ে ইতিমধ্যে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে বলে জানান ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম। অতিসত্বর চিকিৎসক সংকটের অবসান না হলে এখানে স্বাস্থ্য সেবায় সংকটের আশংকা প্রকাশ করেন তিনি। তবে পর্যাপ্ত পরিমান নার্স ও ঔষধ সরবরাহ থাকায় বর্তমানে গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা সাধ্যমতো চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। চিকিৎসকের শুন্য পদগুলি পুড়ন হলে পার্বতীপুরবাসীর জন্য শতভাগ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত হবে বলেও জানান তিনি। এখানে সার্বক্ষণিক এম্বুলেন্স ব্যবস্থা চালু আছে। এবং প্রতি কর্মদিবসে দেড় শতাধিক রুগীকে ৩ টাকার টিকেটের বিনিময়ে চিকিৎসা ও সরকার কর্তৃক সরবরাহকৃত ঔষধ প্রদান করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। #

Print Friendly, PDF & Email

Comments are closed.