তিস্তা ব্যারাজের দুই তীরে বিজিবির নতুন আরো দুইটি ব্যাটালিয়ন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

BGB-1লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় বিজিবির নতুন আরো দুইটি ব্যাটালিয়ন হচ্ছে।

সোমবার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল(রংপুর) বিজিবির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ার শফি সরজমিনে প্রস্তাবিত নতুন দুইটি ব্যাটালিয়নের জায়গা পরিদর্শন করেন। বিজিবির পৃথক দুইটি ব্যাটালিয়ন গঠনের জন্য ২০ একর ও ২০ একর মোট ৪০ একর জমি অধিগ্রহনের মাধ্যমে বিজিবি নিচ্ছেন বলে জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আতাউর রহমান। অবশ্য এসব জমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া এবং লালমনিরহাট বিভাগের অধীনে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে বিজিবি এসব জমি অধিগ্রহনের উদ্যোগ নিয়েছে।

এ সময় বিজিবি রংপুর সেক্টর পরিচালক কর্ণেল জুলফিকার আলী, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল(রংপুর) বিজিবির পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্ণেল এবি সফিউল আলম প্রধান শফি, রংপুর-৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্ণেল মোস্তাফিজুর রহমান, উপ-পরিচালক মেজর মূহিত-উল আলম, নবীনগর বিজিবি কোম্পানী পরিচালক জালাল খাঁন উপস্থিত ছিলেন। পরে বিজিবি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি হাতীবান্ধা উপজেলার ঠ্যাংঝাড়া সীমান্ত ফাঁড়ি পরিদর্শন করেন। সেখানে তিস্তা নদীর চর এলাকার প্রায় দেড় শতাধিক অসহায় শীতার্ত বৃদ্ধ নারী-পুরুষকে কম্বল বিতরণ করেন।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল(রংপুর) বিজিবির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ার শফি বলেন, ‘তিস্তা ব্যারাজের দুই তীরে বিজিবির নতুন আরো দুইটি ব্যাটালিয়ন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রস্তাবিত জমি অধিগ্রহনের বিষয়টি চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া সীমান্ত চোরাচালান বন্ধে সম্মিলতভাবে ‘আলোকিত সীমান্ত’ নামে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ করতে পারলে ভারত-বাংলাদেশ এক নতুন সম্পর্ক মাত্র যোগ হবে। সেই লক্ষে বিজিবি সীমান্ত পাহারায় আগের তুলনায় আরো কঠোর নীতি অনূসরন করছে। এক্ষেত্রে মিডিয়া ও স্থানীয় সচেতন মহলের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।’