চট্টগ্রামে হাসপাতাল উদ্বোধনে দেবী শেঠী

নিজস্ব প্রতিবেদক : বন্দরনগরী চট্টগ্রামে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবার দ্বার উন্মোচিত হলো। শনিবার দুপুরে নগরীর খুলশিস্থ পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন ৭ একর জায়গাজুড়ে ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের উদ্বোধন হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্বখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ভারতের নারায়ণা হৃদয়ালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ডা. দেবী শেঠী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডা. দেবী শেঠী বলেন, ইম্পেরিয়াল হাসপতালের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার নতুন দ্বার উন্মোচিত হলো। এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ফলে দেশের রোগীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

দৈনিক আজাদীর সম্পাদক ও ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের অন্যতম পরিচালক এম এ মালেকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন।

রবিউল হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে এক ছাদের নিচে সব ধরণের চিকিৎসাসেবা মিলবে। হৃদরোগ বিভাগের চিকিৎসা ভারতের নারায়ণা হেলথ ও ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যৌথ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এ বিভাগের নামকরণ করা হয়েছে ইম্পেরিয়াল-নারায়ণা কার্ডিয়াক বিভাগ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরসরাই থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। বাংলাদেশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের সঙ্গে ডা. দেবী শেঠী যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, ৭ একর জমির ওপর ৫টি ভবন নিয়ে ৬ লাখ ৬০ হাজার বর্গফুট জায়গায় ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই হাসপাতালে বিশ্বমানের সর্বোচ্চ সেবা পাবে রোগীরা। শুধু মুনাফা অর্জন নয়, চট্টগ্রামসহ দেশের স্বাস্থ্যখাতের অভাব ঘুচাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ডা. দেবী শেঠী ছাড়াও তার বড় ছেড়ে উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পর দেবী শেঠী হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন।

৩৭৫ শয্যাবিশিষ্ট ইম্পোরিয়াল হাসপাতালে রয়েছে উন্নতমানের সার্বক্ষণিক ইমার্জেন্সি সেবা ও কার্ডিয়াক, ট্রান্সপ্ল্যান্ট, নিউরো, অর্থোপেডিক ও গাইনি অবস্ ইত্যাদি সম্বলিত ১৪টি মডিউলার অপারেশান থিয়েটার, ৬টি নার্স স্টেশন ও ৬২টি কনস্যালটেন্ট রুম সম্বলিত বহির্বিভাগ এবং আধুনিক গুণগত মানসম্পন্ন ৬৪টি ক্রিটিক্যাল কেয়ার বেড, নবজাতকদের জন্য ৪৪ শয্যাবিশিষ্ট নিওনেটাল ইউনিট ও ৮টি পেডিয়াট্রিক আইসিইউ স্থাপন করা হয়েছে। #