পার্বতীপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্বেও ঘর নির্মাণের অভিযোগ


নিজস্ব প্রতিনিধি : পার্বতীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় আদালতের স্থগিতাদেশ,এরপর অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার নোটিশ থাকা সত্বেও অমান্য করে বহুতল ঘর নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, পার্বতীপুর উপজেলার চন্ডীপুর ইউনিয়নের উত্তর সালন্দার গ্রামের শফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবত বছির বানিয়া বাজারে প্রায় সোয়া চার শতক জমির উপর মেসার্স সুখি এন্টারপ্রাইস নামে টিন সেড ঘরে ব্যবসা করে আসছে। গত ২৮ জুন সকাল ১০টায় হরিপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের মৃত চতু মামুদের ছেলে আনসার আলী (৪২) ও আনোয়ার হোসেন (৪৫) একটি সংঘবদ্ধ দল নিয়ে নিজ জমি ছেড়ে শফিকুল ইসলামের জমির প্রায় দেড় ফিট যায়গা দখল করে বহুতল ঘর নির্মানের কাজ শুরু করে। এ ঘটনায় শফিকুল ইসলামের স্ত্রী জাকিয়া বেগম বাদি হয়ে দিনাজপুর অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ২৬২, তারিখ-০৩/০৭/১৯ইং),৮৫/২০১৯ তাং-২২/০৮/২০১৯ইং। বিজ্ঞ আদালত আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে নালিশী জমির হালত ও দখলীয় প্রতিবেদন দেয়ার জন্য আদেশ জারী করেন । এরেই পরিপেক্ষে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা জাকির হোসেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শরিফুল ইসলামের জমি দখল চেষ্টার কথা উল্লেখ্য করে একটি প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনের আলোকে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উল্লেখিত জমিতে ১৪৪ ধারা জরী করেন আদালত এবং আদালতের আদেশ বহাল রাখার জন্য পার্বতীপুর মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক ওমর ফারুক উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে উল্লেখিত জমিতে স্থিতিবস্তায় রাখার পাশাপাশি আগামী ০৫/০৯/১৯ইং তারিখে নিজ নিজ কাগজপত্র নিয়ে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য বলেন। এ প্রতিবেদক সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অভিযুক্ত আনসার আলী ও আনোয়ার হোসেন আদালতের স্থগিতাদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে শ্রমিক দিয়ে বহাল তবিয়তে বহুতল ঘর নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার সাড়ে তিন শতকের মধ্যেই আমি ভবন নির্মাণ করছি। ভিত্তি দেয়ার সময় অভিযোগকারী নিজেই উপস্থিত ছিল । আদালতের স্থগিতাদেশের নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও তা অমান্য করে ঘর নির্মাণের কাজ চালুর রাখার বিষয়ে তিনি বলেন এটি আমার যায়গা তাই আমি ঘর নির্মান করছি। এ বিষয়ে পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান জানান, উভয় পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে আছেন। আনসারের দোকান ঘরে আগে টিন সেড ছিল এখন সে বিল্ডিং তুলছে। তবে আদালতের আদেশ অমান্য করে ঘর নির্মাণের কাজ চলমান রাখার বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। #