পার্বতীপুরে শীত জেঁকে বসেছে শীত বস্ত্র কেনা বেচায় ভীড় চলছে


শাহাজুল ইসলাম, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) :
উত্তর জনপদের পার্বতীপুরে ইতিমধ্যে শীত জেঁকে বসেছে।্ তবে তা শুধু রাতের বেলায়। লেপ তোষকেও শীত নিবারন হচ্ছে না কিছুতেই। আর দিনের বেলায় প্রচন্ড গরম পড়ছে এখানে। প্রকৃতির এ আচরনকে মানুষ অস্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন।

উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও পৌরসভার সর্বত্র, হাটবাজার, রেলবাজারে শীতবস্ত্র বিক্রির ধুম পড়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষদের ফুটপাত গন্তব্যস্থল হয়ে উঠেছে। দিনের শেষের দিকে বিকেল হতে না হতেই প্রচন্ড ভীড় দেখা যায় এসব জায়গায়।

মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো পড়েছে এবার বিপাকে। তারা ধান কেটে বাড়ির ছেলে মেয়েদের শীতবস্ত্র কিনে দিয়ে থেেকন প্রতি বছর। কিন্তু গত দুই বছর ধরে এ অঞ্চলের কৃষকেরা ধানের দাম পায়নি। এবারও আগের অবস্থা চলছে এখন পর্যন্ত। প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্চে ৫৫০ টাকা থেকে ৫৮০ টাকা দরে। কিন্তু সরকারী দাম প্রতিমণ হাজার চল্লিশ টাকা।

উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের বাজার পাড়া গ্রামের কৃষক মোঃ ইউসুফ আলী বলেন, ধান বেচে সারা বছরের জন্য বউ,ছেলে-মেয়েদের কাপড় চোপড় কেনা হয়ে থাকে প্রতি বছর। শীতবস্ত্রও কেনা হয় এ সময়। কিন্তু এবার ধান বিক্রি করে লোকসান এড়ানো যাবে না।এর ফলে কিছুই কেনা যাবে না। ইউসুফ আলী বলেন, এবার যত কষ্টই হোক এই সময় ধান বিক্রি করবেন না তিনি। তার মতে কৃষকের ধান বেচাবিক্রি শেষ হলে ব্যবসায়ীদের শুরু হবে পোয়াবারো। তার আলাামত এখনই দেখা যাচ্ছে। ভরা মৌসুমে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে মিল মালিকরা। মনে হচ্ছে এ অবস্থা অব্যাহত থাকবে।

মন্মথপুর ইউনিয়নের দেগলাগঞ্জ গ্রামের জমির উদ্দিনও অনুরূপ চিন্তাভাবনা করছেন। বলছেন, এই মুহুর্তে ধানের দাম না পেলেও সামনে দাম বাড়তে থাকবে। তাই কষ্ট করে হলেও এবার তিনি ধান ধরে রাখবেন এবং দেরীতে বিক্রি করবেন। চন্ডিপুর গ্রামের আজিজার কাপড় কিনছেন। তিনি বলেন, এখানে কম দামে ছোট বাচ্চাদের শীতের কাপড় ভাল পাওয়া যায়, তাই এ রেল বাজারে কাপড় কিনতে এসেছি। #