গাইবান্ধায়  পাঁচটি শকুন উদ্ধার : দিনাজপুরের ইকোপার্কে অবমুক্তর জন্য প্রেরণ


গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধায় বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির বিশাল আকারের পাঁচটি শকুন উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। বুধবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের মধ্য ফলিয়া গ্রামের একটি গাছ থেকে এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় শকুনগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ৫টি শকুনকে দিনাজপুরের বনবিভাগের কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার তাদের গাড়িতে করে ইকোপার্কে নিয়ে যায়। দিনাজপুরের ইকোপার্কে রেখে শকুনগুলোকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তোলার সেগুলোকে সেখানেই অবমুক্ত করা হবে।

গাইবান্ধা জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুছ সবুর হোসেন জানান, পশ্চিমদিক থেকে উড়ে আসা বিশাল একটি শকুনের ঝাঁক ফলিয়া গ্রামের একটি বটগাছে আশ্রয় নেয়। এ সময় হঠাৎ করে পাঁচটি শকুন দূর্বল হয়ে গাছ থেকে নিচে পড়ে যায়। পরে এলাকাবাসী বনবিভাগকে খবর দেয়। খবর পেয়ে বনবিভাগের কর্মকর্তারা ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসীর সহায়তায় শুকুনগুলো উদ্ধার করে। তিনি উলেখ করেন, সম্ভবত শকুনগুলো হিমেল হাওয়ায় অনেক দুর থেকে এখানে উড়ে আসছিল। এতে প্রচন্ড শীত ও দীর্ঘ পথ উড়ে আসার ক্লান্তিজনিত কারণে শকুনগুলো ওই গাছটিতে আশ্রয় নেয়। এরমধ্যে অপেক্ষাকৃত অতি দুর্বল ও অসুস্থ ৫টি শকুন গাছ থেকে হঠা নিচে পড়ে যায়। পরে বনবিভাগের কর্তৃপক্ষ শকুনগুলোকে মুরগির মাংস খাইয়ে তাজা করার পর তাদের ঠোটে টেপ মেরে দেয়। যাতে ওদের ধারালো শক্ত ঠোঁটে ঠুঁকরিয়ে কাউকে আঘাত করতে না পারে। জানা গেছে, এই প্রজাতির শকুন এখন বাংলাদেশে সচারাচর দেখা যায় না। ইতোমধ্যে এই প্রজাতির শকুন এদেশ থেকে বিলুপ্ত হতে চলেছে।