মোহনার ১৩৩তম মাসিক সংগীতানুষ্ঠান ও গুণীজন সম্মাননা


গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
‘নিজস্ব সংস্কৃতির শেকড়ের সন্ধানে’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মাসিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মোহনার ১৩৩তম সংগীতা আসর ও ‘নাট্যজন জহুরুল ইসলাম স্বপন সম্মাননা’ স্মারক প্রদান উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে শুক্রবার রাতে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সাংবাদিক অমিতাভ দাশ হিমুনের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় ‘নাট্যজন জহুরুল ইসলাম স্বপন সম্মাননা’ স্মারক ২০২০ প্রদান করা হয় গাইবান্ধার তিন গুণীজনকে সংগঠক, নাটক ও সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য। সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন- সংগঠক হিসেবে গাইবান্ধার বিশিষ্ট সাহিত্যিক, সাংবাদিক, গীতিকার, নাট্যকার ও ছড়াকার আবু জাফর সাবু, নাট্যকলায় মোহাম্মদ আমিন এবং সংগীতে নিলুফার জেসমিন বিথি। মোহনা পরিবারের পরিচালক শাহ মশিউর রহমান, স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য প্রমতোষ সাহা ও খাজা সুজন গুণীজনদের স্মারক সম্মাননা ক্রেস্ট, উত্তরীয় প্রদান করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে স্মারক সম্মাননা প্রাপ্ত গুণীজনরা তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বক্তব্য রাখেন।

এরপর মাসিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মোহনার ২৭ বছরের পথ চলার ১৩৩তম সংগীতা আসরে সংগীত পরিবেশন করেন রেডিও টেলিভিশনের রংপুরের জনপ্রিয় শিল্পী এলাহী ফারুক ও গাইবান্ধার তরুণ শিল্পী জ্যোতির্ময়ী সরকার উর্মি। এই শিল্পীদের মোহনার পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী প্রধান আবদুস সালাম ও কবি সরোজ দেব। এছাড়া ক্রেস্ট ও উত্তরীয় প্রদান করেন মোহনার সদস্য পিটু কর্মকার ও দেবদাস রায়। শিল্পী দু’জনার পরিবেশিত বিভিন্ন মাত্রার ছয়টি করে গান মোহনার ১৩৩তম সংগীতের আসরটিকে দর্শক শ্রোতাদের কাছে উপভোগ্য করে তোলে। উলেখ্য, নাট্যজন জহুরুল ইসলাম স্বপন স্মরণে মোহনা প্রতিবছর সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য গুণীজনদের এই সম্মাননা প্রদান করে আসছে।

দুপুরে হালকা রোদ উঠলেও কোন উত্তাপ ছিলনা

গাইবান্ধায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

বৃষ্টির পর গাইবান্ধা জেলার সর্বত্র তৃতীয় দফায় আবারও হিমেল হাওয়াসহ ঘন ঘন কুয়াশা পড়তে শুরু করে। শনিবার দুপুরে হালকা রোদ উঠলেও কোন উত্তাপ ছিল না। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ও ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকে গোটা গাইবান্ধা জেলা। সেইসাথে হিমেল হাওয়া বইতে থাকে। হঠাৎ করে শীত শুরু হওয়ায় এবং রাতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মত কুয়াশা পড়ায় এ জেলার মানুষরা চরম বিপাকে পড়ে। হঠাৎ শুরু হওয়া এই শীতে জেলার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ছিন্নমুলসহ চরাঞ্চলের মানুষরা বেশী দুর্ভোগের কবলে পড়ে। শীতে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্করা এতে কষ্ট পাচ্ছে বেশি। শহরের গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে এখন মানুষের উপচে পড়া ভীড়। এই সুযোগে গাউন মার্কেট ও গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ব্যবসায়িরা কাপড়ের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়েছে। ফলে অর্থাভাবে দরিদ্র মানুষদের পক্ষে শীতের কাপড় সংগ্রহ করা খুব কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে ব্রহ্মপুত্র-যমুনাসহ অন্য নদ-নদীতে নৌ চলাচল বিঘিœত হচ্ছে। ফলে মূল ভূমির সাথে চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। রাতে ঘন কুয়াশার কারণে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে চরাঞ্চলের মানুষদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। ঘন কুয়াশা অব্যাহত থাকায় সরিষা গাছের ফুল ঝড়ে পড়ছে ও আসন্ন ইরি-বোরো বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

গাইবান্ধায় ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা পালিত

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জাসদ) গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে শনিবার দুপুরে জেলা জাসদ কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রলীগ (জাসদ) জেলা সভাপতি রাকিব হাসান সীমান্তের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা জাসদ সভাপতি শাহ শরিফুল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মারুফ মনা, সহ-সভাপতি জিয়াউল হক জনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, অধ্যক্ষ মোজাহিদ হোসেন খান, সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি, শ্রমিক জোট জেলা সদস্য সচিব নুর হোসেন বাবু, যুবজোট জেলা সভাপতি সুজন প্রসাদ, মামুন রশিদ রুবেল, ফিরোজ কবির রানা, হাসিবুল ইসলাম হাসিব, বাবলা মিয়া, সাইফুল ইসল্যাম সিজান, মুতাসিন হক রাফিন প্রমুখ। বক্তারা চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ ও শিক্ষাখাতে বাজেট বৃদ্ধিসহ নিয়মিত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি জানান।

শোক সংবাদ

লিয়াকত আলী ভুইয়া

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা আহমেদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি সিনিয়র শিক্ষক, কর্মীরহাতের সদস্য, পৌরসভার অনামিকা লেনের বাসিন্দা ও কাচারী বাজার মসজিদের সাবেক ইমাম মৃত মাওলানা আব্দুল হাইয়ের পুত্র লিয়াকত আলী ভুইয়া (৬০) অসুস্থ্যজনিত কারণে শুক্রবার রাত ৮টায় গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নলিলাহি……..রাজেউন)। মৃতকালে তিনি ২ স্ত্রী ও ৩ মেয়ে রেখে গেছেন। শনিবার বাদ জোহর গাইবান্ধা গোরস্থান জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে নামাজে জানাযা শেষে পৌর গোরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।