রাজাপুরে দুই নদীর পারে দখলকরা অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান শুরু


রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুরে ধানসিঁড়ি ও জাঙ্গালিয়া নদীর উযানে উপজেলা সদর সংলগ্ন অংশে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে প্রথম দফায় অভিযানে নেমেছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট মো: সোহাগ হাওলাদারের নেতৃত্বে সমন্নিত ভাবে নদী দধল করে গড়ে ওঠা পাকা আবাসিক ও বানিজ্যিক ভবন সহ মোট ২৯ টি স্থাপনা উচ্ছেদের মধ্য দিয়ে নদী উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হয়। অভিযানের শুরুতে উপজেলা প্রশাসনের নিযুক্ত জন দশেক শ্রমিক হাতুরি দিয়ে চিহ্নিত এলাকা ঠিক রেখে অবৈধ স্থাপনা ভাঙ্গতে শুরু করে। এসময় দখলদাররা তাদের স্থাপনা স্ব উদ্যোগে সরিয়ে নিতে থাকে। সেচ্ছায় স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া ইতিবাচক হিসাবে দেখছে প্রশাসন। আর এ কারনে উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনেককেই সময় বেধে দিয়েছে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। নদীর দুই পারে প্রথম পর্যায়ে ৪শত মিটারের মধ্যে এই ২৯ টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে এবং ধারাবাহিক ভাবে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে নদী উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে। উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে উপস্থিত স্থানীয়রা বলেন, এত সল্প সংখ্যক জনবল ও হাতুরি দিয়ে পাকা ইমারত উচ্ছেদ হয় কি করে। এজন্য প্রয়োজন আধুনিক যন্ত্রপাতি। তারা শংকা প্রকাশ করছেন উচ্ছেদ অভিযান মুখ থুবরে পড়তে পারে। এসময় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বলেন, উপজেলা ব্যাপী নদী মাতৃক এ উপজেলা ব্যাপী অসংখ্য অবৈধ দখলদারের হাত থেকে নদী গুলোকে মুক্ত করার জন্য এ উদ্যোগ চলতেই থাকবে। তিনি আরও জানান, আজকে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার ফলে নদীর দু’পারে প্রায় তিন একর নদীর জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত হবে। এটি বাস্তবায়ন পর্যায়ে গেলে নদীটি প্রান ফিরে পাবে। এ উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে। #

রাজাপুরে অগ্নিকান্ডে বসতঘরসহ ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই

রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বাদুরতলা বাজারে আগুন লেগে ১টি বসতঘর ও চারটি দোকান পুড়ে গেছে। সোমবার (২ মার্চ) ভোর রাত ৪ টায় সংগঠিত এ ঘটনায় প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ব্যাবসায়ীরা দাবি করেছেন। ঘটনার পর পরই পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছে। পুরে যাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা হলেন, শাহজাহান, সৈয়দ আলী ফকির, মোতালেব তালুকদার, হানিফ হাওলাদার ও সঞ্জিব চন্দ্র শিলের সেলুনসহ বসতঘর। রাজাপুর ফায়ার সার্ভিস ও বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, বৈদ্যুতিক ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। কেউ না থাকায় অল্প সময়ের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পরে। পরে রাজাপুর ফায়ার সার্ভিস খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে রওয়ানা করলেও বাদুরতলা সড়কে একটি কালবার্ড পূর্ণ নির্মার জন্য ঠিকাদার উপযুক্ত বিকল্প সড়ক তৈরী না করে কাজ শুরু করলে ফায়ার সার্ভিসের ঐ ইউনিটটি ঘটনা স্থলে পৌছাতেই পারেননি।