ধামইরহাটে জমি জবর-দখল ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন


ধামইরহাট (নওর্গাঁ) প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর ধামইরহাটে সম্পত্তি জবর-দখল চেষ্টা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী জমির মালিক।
১১ মার্চ দুপুর সাড়ে ১২ টায় ধামইরহাট উপজেলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জমির মালিক মো. জিল্লুর রহমানের ছেলে মামুনুর রশীদ পবনের পক্ষ হয়ে তার স্ত্রী ফাতেমা নার্গিস লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘৪ বছর পূর্বে রুপনারায়নপুর মৌজায় ১.৭৪ একর সম্পত্তি কবলা দলিলমুলে ক্রয় করেন মামুনুর রশীদ পবন। অদ্যাবধি শান্তিপূর্ণ ভাবে জমি দখলে আছে। দখল থাকাবস্থায় রুপনারায়নপুর গ্রামের লখাই মন্ডল ও তার দুই ছেলে তোফাজ্জল ও গোলাপজল চলতি মাসে ২ তারিখে ২৫/৩০ জনের একটি সন্ত্রাসী লাঠিয়াল বাহিনী লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উক্ত জমি জবর দখল ও বাড়ী নির্মানের চেষ্টা করলে জমির মালিক পবন বাধা দেয় এতে ঔ লাঠিয়াল বাহিনী তাকে অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করে। সে প্রাণভয়ে সেখান থেকে সরে যায়। পরে থানায় গিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করে মামুনুর রশিদ পবন। ৬ দিন পর ৮ মার্চ রাতের বেলায় ঘরবাড়ি ভাঙ্গা ও ১২০টি দেশী মুরগী, টাকা লুটপাটের নাটক সাজিয়ে মামলা করে এবং সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে খবরের কাগজে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি আমার জমি জবর দখলের হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছে। খবরের কাগজে ভিক্ষুকের বাড়ীতে হামলা ও লুটপাটের কথা উল্লেখ করেছে। ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন ১২০টি মুরগী ও বিপুল পরিমান টাকা একজন ভিক্ষুকের বাড়ীতে কিভাবে থাকে।’

জবর দখলকারী লখাই এর স্ত্রী সুবালা ওরফে সুফিয়া (ধর্মান্তরিত)’র মা বিছিরিয়া পাহানের ওয়ারিশমুলে জমি দাবী করে আদালতে মামলা করলে বিজ্ঞ আদালত ১৬৪/২০০৯ নং মামলায় বাদী প্রফুল্ল পাহানের পক্ষে ও বিবাদীদের বিরুদ্ধে ০৪/০৪/২০১২ খ্রিঃ তারিখে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে ডিক্রী প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিবাদীগণ বিজ্ঞ আদালতে রাধা পাহান গং ডিক্রী রদের জন্য ৩১/২০১৯ নং আপিল মামলা করলে আদালত আপিল মামলা বাতিল করে দেয়। যাতে করে বর্তমানে জমির মালিক হিসেবে আমার ভোগ-দখলে কোন আইনগত বিধি নিষেধ নাই। বিবাদীরা আদালতের রায়, কাগজপত্রের বৈধতা অনুযায়ী তারা জমি না পেলেও হয়রানীমুলক মামলা দিয়ে ও জবর দখলের মাধ্যমে জমি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত আছে, ভুক্তভোগী মামুনুর রশীদ পবন জমি জবর দখলের বিরুদ্ধে প্রশাসনের উর্ধতন মহলের নিকট সুবিচার প্রার্থনা করেন এবং তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানান।

অভিযুক্ত লখাই মন্ডলের ছেলে ও হয়রানী মুলক মামলার বাদী গোলাপজল বলেন, আমরা আদালতের বৈধ কাগজপত্র আগে দেখবো, তারপর পবন মেম্বার জমি কিভাবে পেল সেটা আইনী ভাবে মোকাবেলা করবো।

সম্মেলন মামুনুর রশীদ পবনের শশুর ওলিমুদ্দিন, প্রতিবেশী হেনা আকতার, ফেরুজা বেগম, জিনা বেগমসহ স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ধামইরহাট থানার ওসি শামীম হাসান সরদার বলেন, বিষয়টি তদন্তাধিন রয়েছে তদন্ত করে আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হবে।