বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে পার্বতীপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের ফলপ্রসু বৈঠক


সোহেল সানী, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :
আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টায় শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবিএম কামরুজ্জামানের সাথে।

মঙ্গলবার দুপুরে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে ১১ সদস্যে একটি প্রতিনিধি দল বৈঠকে অংশ নেয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পার্বতীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শ্রমিকদের উপদেষ্টা আলহাজ্ব মো: হাফিজুল ইসলাম প্রামানিক, মধ্যপাড়া পাথর খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবিএম কামরুজ্জামান ও বড়পুকুরিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর (আইসি) মো: সুলতান মাহমুদ।

উক্ত বৈঠকে তাদের বিভিন্ন দাবী দাওয়ার প্রেক্ষিতে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভারপ্রাপ্ত (এমডি) এবিএম কামরুজ্জামান শ্রমিকদের সাথে আগামীদিনে শ্রমিক আন্দোলন নিরসনে ৬টি প্রবস্তাব লিখিত আকারে পেশ করেন। প্রস্তাবনা গুলো হলো যথাক্রমে- ১। ২৫% খনির কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকবে ভিতরে, ২। ১৫ দিন পর পর ১০০জন শ্রমিক পরীক্ষার পর চার বারে ৪০০ জন শ্রমিক কর্মস্থলে থাকবে, ৩। ১৩০৭ ফেসের পর হবে হাইরিক্স, ৪। উপরের নির্দেশ বার বার আন্দোলন করলে খনি বন্ধ করে দিবে, ৫। মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের ৭ হাজার টাকা করে পাবে এবং ৬। জুন মাসের বেতন পেট্রোলবাংলা চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে হতে পারে বৈঠকে তুলে ধরা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ থেকে ৬৬ দিনে ১২৫৪ জন শ্রমিক কর্মহীন অবস্থায় নিজ নিজ বাড়ীতে। দেশব্যাপী সাধারন ছুটি ঘোষনাকালে তারা মার্চ মাসের বেতন প্রাপ্য ছিলেন। এছাড়াও তাদেরকে সরকারি ঘোষনা অনুযায়ী শতকরা ৬০ভাগ বেতন প্রদানের কথা ছিল। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কোন কিছুই করেনি তাদের জন্য জানান শ্রমিক নেতা রবিউল ইসলাম। #