করোনায় আক্রান্ত নীলফামারীর পৌরসভা ২ মেয়র এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায়


নীলফামারী প্রতিনিধি : করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে নীলফামারী জেলার দুই পৌরসভার দুই মেয়রের। তাদের মধ্যে নীলফামারী পৌরসভা মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদকে সোমবার ঢাকায় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

অপর দিকে সৈয়দপুর পৌরসভা মেয়র ও সাবেক সংসদ সদস্য আমজাদ হোসেন সরকার ভজে নিজ বাড়িতেই আইসোলেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

নীলফামারী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ রহমান বলেন, ‘দেওয়ান কামাল আহমেদ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। এছাড়াও তিনি নীলফামারী পৌরসভা মেয়র এবং ম্যাব’র কেন্দ্রীয় কমটিরি প্রেসিডেন্ট। তার শারিরীক অবস্থা ভালো আছে। তিনি হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিকের পুরাতন রোগী হলেও এসব সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আছে। এরপরও সাবধানতা অবলম্বনের জন্য নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূরের ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে’।

জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাফিজুর রহমান মঞ্জু বলেন,‘রবিবার রাতে তার নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। এরপর তিনি নীলফামারী শহরের থানা পাড়ার নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সোমবার বিকাল চারটা ৫০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে বিমানবাহিনীর একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রওনা হয়ে ঢাকার পুরাতন বিমানবন্দরে পৌঁছেন সন্ধ্যা ছয়টার দিকে। এরপর সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।’

নীলফামারী সিভিল সার্জন ডা. রনজিৎ কুমার বর্মন বলেন, গত শনিবার সৈয়দপুর পৌরসভা মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার ভজেসহ জেলায় ৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

এর পর রবিবার নীলফামারী পৌরসভা মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, তার গাড়ি চালকসহ জেলায় ৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

তিনি বলেন, সৈয়দপুর পৌরসভা মেয়র ও সাবেক সংসদ সদস্য আমজাদ হোসেন সরকারের শারীরিক অবস্থা ভাল রয়েছে। তিনি নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অপর দিকে নীলফামারী পৌরসভা মেয়র ও জেলা আওয়মা লীগ সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদের শারীরিক অবস্থা ভাল থাকলেও সাবধনতা অবলম্বনের জন্য সোমবার ঢাকায় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, নীলফামারীর দুই পৌরসভার দুই মেয়রসহ সোমবার পর্যন্ত জেলায় মোট ৪১২ জনের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত জেলায় আট জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯৭ জন। #