ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, যমুনা, সুরমার পানি বিপৎসীমার উপরে


অনলাইন রিপোর্ট : বিপৎসীমার উপরে বইছে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, যমুনা, সুরমাসহ বিভিন্ন নদনদীর পানি। পানি বাড়তে থাকায় লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। অপরিবর্তিত রয়েছে সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি। দফায় দফায় বন্যায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুর্গতরা।

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ সব কটি নদনদীর পানি বাড়তে থাকায় অবনতি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। প্রথম দফা বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও বন্যার আশংকায় দুশ্চিন্তায় বানভাসি মানুষ। এরই মধ্যে অনেকে উঁচু বাঁধ ও নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে লালমনিরহাটের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। জেলার সদর, হাতিবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রামের ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। দুর্গত এলাকায় শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

অবনতি হয়েছে গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতি। এরই মধ্যে নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে পানিতে। দফায় দফায় বন্যায় খাবার, সুপেয় পানিসহ নানা সংকটে বানভাসি মানুষ।

সিরাজগঞ্জে যমুনা পানি বাড়ছে। কাজীপুর, সদর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করছে। আতংকে অনেকের নির্ঘুম রাত কাটছে।

প্রথম দফা বন্যায় এখনো পানিবন্দী বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার হাজার হাজার পরিবার। এরই মধ্যে আবারও নদীর পানি বাড়তে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পানিবন্দী মানুষ।

সুনামগঞ্জে অপরিবর্তিত রয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। এখনো বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে সুরমাসহ সব শাখা নদীর পানি। গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে জেলার ১১ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ৪ লাখেরও বেশি মানুষ।

জামালপুরে আবারও বন্যা দেখা দিয়েছে। নদী তীরবর্তী এলাকায় পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বন্যাদুর্গত এলাকাবাসী। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছে জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড। #