ফুলছড়িতে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পথচারিদের চলাচল করচ্ছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালী ইউনিয়নে বন্যায় বিধ্বস্ত পাবোমারী ব্রিজটি গত দু’বছরেও পুনঃনির্মাণ করা হয়নি। ফলে ওই সড়কে ভারী যানবাহনসহ পথচারিদের চলাচল করতে জনদুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। হালকা যানবাহন বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। ফলে ওইসব এলাকার উৎপাদিত কৃষি পণ্য বেচাকেনায় চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছে স্থানীয় কৃষকরা।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের ভয়াবহ বন্যায় ফুলছড়ি উপজেলার কাতলামারীসহ কয়েকটি এলাকায় ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পানির প্রবল তোড়ে ভেঙ্গে গেলে সেই পানির চাপে উপজেলার ৩৫ কিলোমিটার পাকা রাস্তা এবং ফুলছড়ি উপজেলা সদর থেকে গুণভরি রাস্তায় পাবমারী ব্রিজটি সম্পুর্ণভাবে বিধস্ত হয়। ব্রীজটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যয়ের মুখে হয়ে পড়ে। এতে করে ফুলছড়ি উপজেলা সদরের সাথে কয়েকটি এলাকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে এলজিইডির পক্ষ থেকে বন্যায় বিধস্ত ব্রীজটি পুনঃনির্মাণের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। অবশ্য বন্যার পর ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাবমারী ব্রিজের স্থানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। ফলে অস্থায়ী ভিত্তিতে মানুষ এবং বাইসাইকেল-মোটর সাইকেলসহ অন্যান্য হালকা যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিনে চলাচলের ফলে বাঁশের সাঁকোটি ইতোমধ্যে নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। ফলে পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তার উপর দিয়ে এখন চলাচল করতে হচ্ছে।

ফুলছড়ি উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. এমদাদুল হক মোলা জানান, জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে বন্যার পর ধসে যাওয়া ব্রীজটি পুনঃনির্মাণের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের অনুমোদন মিললেই ব্রীজটি পুনঃনির্মাণে দ্রু ব্যবস্থা নেয়া হবে। ##

ফুলছড়িতে ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
গাইবান্ধার সাবেক ফুলছড়ি উপজেলা হেডকোয়ার্টার সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদে বরশি দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে হওয়া আলম মিয়া (৪০) নামে এক প্রতিবন্ধী নিখোঁজ হয়। পরদিন গতকাল রোববার সকালে স্থানীয়রা আলম মিয়ার লাশ ব্রহ্মপুত্র নদে ভাসতে দেখতে পায়। পরে ফুলছড়ি ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। সে উড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব রতনপুর গ্রামের আয়াতুল্যাহ শেখের পুত্র।

পরিবারের লোকজন জানায়, গত শনিবার বিকেলে বাড়ির পার্শ্ববর্তী ব্রহ্মপুত্র নদে আলম মিয়া মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। তখন থেকে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। আলম মিয়ার মৃগীরোগ ছিল। ##

গোবিন্দগঞ্জে তালগাছ থেকে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের পাখেড়া গ্রামে গতকাল রোববার তাল পারতে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে মুন্টু মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সে ওই গ্রামের মৃত নয়া মিয়ার ছেলে। স্থানীয়রা জানায়, বাড়ি সংলগ্ন একটি তাল গাছে তাল পাড়ার জন্য গাছে উঠে গাছের শুকনা তালপাতা ধরতেই তা ছিড়ে নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। #

বিআরডিবির শতভাগ পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না

গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ পলী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)’র আওতাধীন কর্মকর্তা/কর্মচারীরা যারা শতভাগ পেনশন সমর্পন করেছেন তাদের পেনশন পুন:স্থাপনে সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। অথচ মন্ত্রণালয়ের ওই নীতিমালা বাস্তবায়নে সরকারের সকল দপ্তরে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নীতিমালা বাস্তবায়ন না হওয়ায় গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন অবসর গ্রহণকারী ৫৬ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী চরম হতাশা এবং আর্থিক দুর্দশায় দিন কাটাচ্ছে।

২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের স্মারক নং ০৭০০০০০০.০৭১.১৩.১৪.১১৮ প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী শতভাগ পেনশন সম্পন্নকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের অবসর গ্রহণের ১৫ বছর পেরিয়ে গেলে তাদের পেনশন পুনঃস্থাপন করা হবে। সে অনুযায়ী কর্মচারীর এলপিআর বা পিআরএল যেদিন থেকে শেষ হয়েছে তার পরদিন থেকে ১৫ বছর সময় গণনা করা হবে। তবে যিনি এলপিআর বা পিআরএল ভোগ করেননি তার ক্ষেত্রে অবসর গ্রহণের তারিখ হতে ১৫ বছর সময় গণনা করা হবে।

পেনশন পুনঃস্থাপিত হওয়ার পর তার মৃত্যু হলে সেক্ষেত্রে তার স্ত্রী/বিপতœীক স্বামী অথবা প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে তিনি পুনঃস্থাপিত পেনশন সুবিধা ভোগ করবেন। ইতোমধ্যে পেনশন পুনঃস্থাপিত না হওয়ার কারণে কেউ মারা গেলে তার স্ত্রী/প্রতিবন্ধী সন্তান পেনশনের কোন সুবিধা পাবেন না।

এসব শতভাগ পেনশনভোগী বৃদ্ধ ব্যক্তিদের বেশীর ভাগই অর্থ কষ্ট এবং নানা অসুবিধার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সরকারের এ নীতিমালায় তারা আশান্বিত হয়ে উঠেছেন। বিগত ৯ মার্চ বিআরডিবির মহাপরিচালকের পলী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব বরাবরে স্মারক নং ৪৭.৬২.০০০০.২০৭.১৩.০৬০ .১৮.১৭৯৮ এর মাধ্যমে দেয়া এক পত্রে ১ম দফায় ওই সংস্থার ৫৭ জন কর্মকর্তা/কর্মচারীর পেনশন পুনঃস্থাপনের বিষয়টি অবহিত করেছেন। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় ৫৬ জনের তালিকা প্রস্তুত করা হলেও অজ্ঞাত কারণে তা কার্যকর করা হচ্ছে না। ফলে সংশিষ্ট অসহায় বৃদ্ধ কর্মকর্তা/কর্মচারী চরম দু:শ্চিন্তার মধ্যে এখন দিন কাটাচ্ছেন। তারা বা তাদের পক্ষে তাদের স্বজনরা বিভিন্ন দপ্তরে দীর্ঘদিন ধরে ছুটোছুটি করেও এর কোন সুরাহা করতে পারছেন না। এজন্য তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ##

গাইবান্ধায় করোনা ভাইরাসে নতুন আক্রান্ত ৯ জন কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ১৯১ জন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
গাইবান্ধায় করোনা ভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় রোববার নতুন করে আরও ৯ জন আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ১০৫১ জন। এদিকে করোনা ভাইরাসে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৪ জন। জেলার সাতটি উপজেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ১৫১ জন। ##