দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলার হাট বাজার গুলিতে ব্যপক ভাবে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে

দিনাজপুর প্রতিনিধি :
দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলার হাটবাজার গুলিতে ব্যপকভাবে অবৈধ্য পলিথিনের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিবেশ মন্ত্রী বিভিন্ন রংয়ের পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার নিষিদ্ধ ও আইন পাশ করলেও তা অমান্য করা হচ্ছে। এমন কোন দোকান নেই যেখানে পলিথিন ব্যবহার করা হচ্ছে না। দিন দিন যে ভাবে পলিথিন ব্যবহার করা হচ্ছে তা পরিবেশের জন্য ঝুকিপূর্ন হয়ে দাড়িয়েছে। দিনাজপুর জেলার ১৩টি উপজেলার সকল প্রকার হাটবাজারে ব্যপক পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার হচ্ছে তারা রীতিমত পলিথিনে মালামল বিক্রয় ও ক্রয় করছে। এসস্ত পলিথিন ব্যাগের অধিকাংশই হাতল বিহীন ও সাধারণ তারা পলিথিন ছাড়া ব্যবসা করলে তাদের বিক্রয়ও কমে যাচ্ছে। এদিকে পরিবেশ মন্ত্রী নিজেও স্বীকার করেছেন যে দেশের শতকরা ৪০ভাগ পলিথিন ব্যবগের ব্যবহার বেড়ে গেছে। কিন্তু দিনাজপৃুর জেলা সদর সহ ১৩টি উপজেলার অসাধু বিভিন্ন ব্যবসায়ী আইনকে অমান্য করে অবৈধ্যভাবে পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন ও বাজারে তার সরবরাহ ও ব্যবহার করছেন। সরকারী আদেশ কঠোর ভাবে কাজে লাগাতে না পারলে পিলিথিনের ব্যবহার কোন ক্রমেই বন্ধ হবে না।পরিবেশকে বাঁচাতে হলে প্রথমে পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা দরকার। সরকার আইন করে পলিথিন ব্যাগের উৎপাদন ও বিক্রির ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করলেও পলিথিন ব্যাগের উৎপানকারীরা দেশের আনাচে কানাচে করাখানা গুলো চালু রেখে ব্যবপক উৎপান বৃদ্ধি শুরু করেছে। তারা জোরালোভাবে তাদের ব্যবসা চালাচ্ছে। এর পরেও কারখানায় পুরোদমে পলিথিন উৎপান অব্যহত রয়েছে। ১ লা জানুয়ারী ২০০২ ইং সালে আইনের মাধ্যমে পলিথিন ব্যাগের উৎপাদান, বিক্রয় ও ব্যবহার সকল ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ ছিল। সরকারের এই সুন্দর সিদ্ধান্তকে দেশের পরিবেশবিদ ও পরিবেশবাদী সংগঠন কে অধিকাংশ মানুষ স্বাগত জানাই ছিল। কিন্তু গত ১৫ বছরে দেশে যে পরিমান পলিথিন উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে তা রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। প্রশাসনের নেক দৃষ্টি না থাকায় ব্যবসায়ীরা তাদের ঐ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এটা বন্ধ করতে হলে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারদেরকে ক্ষমতা দিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে অবৈধ্য উৎপাদন ও বাজার জাত করণ কোন ভাবেই বন্ধ হবে না। এ ব্যাপারে জরুরী পলিথিন ব্যবহার কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নেক দৃষ্টি কামনা করেছেন বিভিন্ন মহল। #