পার্বতীপুরে নদী পুনঃখননের কাজে ১ কিলোমিটার খনন না করার অভিযোগ

সোহেল সানী, পার্বতীপুর :
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে নদী পুনঃখননের কাজে এক কিলোমিটার নদী খনন না করার অভিযোগ উঠেছে। সৈয়দপুর বাঙ্গালীপুর জিরো পয়েন্ট থেকে পার্বতীপুরের বেলাইচন্ডী ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে নদী খনন চলে এবং বদরগঞ্জ উপজেলা এলাকায় গিয়ে শেষ হবে। জিরো পয়েন্ট থেকে ভালোভাবে খনন কাজ করলেও বেলাইচন্ডী কুঠিপাড়া (বালুচর) গ্রামের ঘোনারপাড়-গালানদি পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার নদী খনন না করেই ঠিকদারের লোকেরা চলে যায়। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, গত ২৫ মে নীলফামারীর সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৬৪ জেলার অভ্যন্তরে ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্পের (১ম পর্যায়) ৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যায়ে ঘৃনাই-করতোয়া নদী পুনঃখনন কাজ শুরু হয়। আর এটি কাজ পায় ঢাকার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়াজ ট্রেডার্স নামে।

এ ব্যাপারে বেলাইচন্ডী ইউনিয়নের কুটিপাড়া (বালুরচর) ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম সরদার (৪৫) জানান, বালুচর এলাকায় প্রায় এক কিলোমিটার নদী খনন না করেই ঠিকাদারের লোকজন ১৫ দিন আগে চলে গেছে। নদীর উভয় দিকে খনন করা হলেও এজায়গাটিতে প্রায় ৫ফুট খনন না করায় পানি চলাচল বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে। আমি সমতল ভাবে নদী খননের দাবী জানাচ্ছি।

কুটিপাড়া বালুচর গ্রামের বৃদ্ধ আঃ জলিল (৭৫), আঃ রাজ্জাক (৪৫), গুড়াতিপাড়া গ্রামের বৃদ্ধ জিকরুল হক (৬০) সহ অনেকে জানান, অন্য জায়গায় ঠিকমতো নদী খোড়া (খনন) করা হলেও এখানে কেন যে খোড়া (খনন) করা হলো না তা জানি না।

ব্যাপারে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল চন্দ্র সরকার জানান, ঠিকাদারের লোকজন কাজ না করে চলে গেছে বিষয়টি আমি জানিনা। তবে, বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে না দেখে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এদিকে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়াজ ট্রেডার্স এর মালিক জহির আহম্মেদ জানান, আমরা কাজ না করে চলে গেছি বিষয়টি সঠিক নয়। আমরা সবেমাত্র কাজ শুরু করেছি। যদি ওই এক কিলোমিটার ৩৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকে তা অবশ্যই খনন কাজ করা হবে তিনি দাবী করেন।