পার্বতীপুর থেকে ডেমু,৭আপ ও রমনা ট্রেন বন্ধ, জনদুর্ভোগ চরমে


জাকির হোসেন : দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে সান্তাহার ও পঞ্চগড়ের মধ্যে চলাচলকারী ৭আপ,পার্বতীপুর লালমনিরহাট ও পঞ্চগড়ের মধ্যে চলাচলকারী ডেমু ও পার্বতীপুর (কুড়িগ্রাম) রমনা বাজারের মধ্যে চলাচলকারী রমনা ট্রেন দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ থাকায় ওই অঞ্চলের অতি সাধারণ নিম্ন আয়ের মানুষরা চরমভাবে ভোগান্তিতে পরেছে। অথচ জনগুরুত্বপূর্ণ এই লোকাল ট্রেনগুলো চালুর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেনা রেলপথ কর্তৃপক্ষ।

বিশেষভাবে উলিপুর,চিলমারী,দুর্গাপুর,রমনা ও গাইবান্ধা এলাকার গরীব মানুষদের হয়েছে চরমদশা। তদুপরি সাম্প্রতিককালে বাসভাড়া বৃদ্ধি হওয়ায় আরো বিপাকে পরেছে তারা। আন্ত-স্টেশনগুলোতে যাত্রী চলাচল ও কাচামাল সরবরাহের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে আসছিল এ ট্রেনগুলো। এখন অনাদরে অবহেলায় রেল ইয়ার্ডে মরিচাধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে আছে সেগুলো।ট্রেনগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারন হিসাবে (চালক) জনবল সংকটের কথা বলেন পার্বতীপুর লোকো সেডের ইনচার্জ এসএসএই কাফিউল ইসলাম। গুরুত্বপূর্ণ এই লোকোসেডে জনবল মোট মঞ্জুরী ৪১২ জন থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ২৩৩ জন। ঘাটতি রয়েছে ১৭৯ জন। বিশেষকরে এমজি ট্রেন 1চালক (এল এম) ঘাটতি ৪৬ ও বিজি ২৩ জন। প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল না থাকায় ট্রেন চালনায় বিঘ্নতার সৃস্টি হচ্ছে। এমনকি দুর্ঘটনায় জরুরী উদ্ধার কাজে রিলিফ ট্রেনের অপারেশনও হুমকির মুখে পরেছে বলেও জানান তিনি।

এবিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওেয়ের লালমনিরহাট এর বিভাগীয় ব্যবস্থাপক ডি আর এম শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ জনবল সংকটের বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে কবে নাগাদ বন্ধ ট্রেনগুলো চালুকরা হবে এবিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে পারেননি এই উর্ধতন কর্মকর্তা।এনিয়ে আজ রবিবার বাংলাদেশ রেলওেয়ের পশ্চিম অঞ্চলের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী মোহাম্মদ কুদরতি খুদার সাথে যোগাযোগ করলে মুঠোফোনে তিনি জানান জনবল সংকটের কারনে ৭ আপ, ৮ ডাউন ও ডেমু ট্রেন চালানো আপাতত সম্ভব নয়।

তবে আগামী জুন মাস থেকে পঞ্চগড় -সান্তাহারের মধ্যে রামসাগর এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে জানান তিনি।