পার্বতীপুর প্রতিনিধি: পার্বতীপুরে মাদকের চালান আটকের ঘটনায় মডেল থানা ও রেলওয়ে জিআরপি পুলিশের দেওয়া তথ্যে অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। ঘটনাস্থল ও উদ্ধার করা মাদকের পরিমাণ নিয়ে দুই ধরনের তথ্য পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
রেলওয়ে জিআরপি থানার ইনচার্জ মাহমুদ উন নবী জানান, ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভোরে মডেল থানা পুলিশের একটি দল রেলওয়ে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের এএসএম কক্ষের সামনে থেকে দুটি পেয়ারার বস্তা জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
তবে মডেল থানার ওসি ওয়াদুদ আলী ও অভিযানের নেতৃত্বদানকারী এসআই পিন্টু কুমার দাস জানান, শহরের শহীদ ময়দান এলাকার সড়ক থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় বস্তা দুটি উদ্ধার করা হয়। পরে তল্লাশি করে ৫৬ পিস ভারতীয় ‘স্কফ’ সিরাপ পাওয়া যায়।
এদিকে স্টেশনের কুলি জুয়েল ও কুলি সর্দার মিরাজ জানান, খুলনা মেইল ট্রেন থেকে পেয়ারার বস্তাগুলো নামিয়ে এএসএম কক্ষের সামনে রাখা হয়েছিল। পরে দুই যুবক দুটি বস্তা নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে কুলিরা বাধা দেন। কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে বস্তা দুটি তল্লাশি করে নিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল নিয়ে পুলিশের দুই পক্ষের ভিন্ন বক্তব্য প্রসঙ্গে মডেল থানার ওসি ওয়াদুদ আলী বলেন, অভিযানকারী পুলিশ দলের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
একই ঘটনায় ঘটনাস্থল ও উদ্ধারসংক্রান্ত তথ্যের এমন অসঙ্গতিতে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র : আগামী সময় ও আই বার্তা
প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: রুকুনুজ্জামান, বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: ০১৫৫৬৩০৫০২৮
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত