অনলাইন ডেক্স:
ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের জমিতে প্রস্তাবিত ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটি। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন নিঃসন্দেহে আনন্দের বিষয় এবং এটি স্থানীয় জনগণের আবেগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে সেই আবেগকে কাজে লাগিয়ে একটি চালু সুগার মিলের জমি নিয়ে চিনি শিল্পকে অকার্যকর করে দেওয়া দুঃখজনক।
কমিটির নেতারা জানান, ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের ৮২ দশমিক ২২ একর জমি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তাব করা হলেও ওই জমিতে আইনগত জটিলতা রয়েছে। এ কারণে শিল্প মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করে এবং বিকল্প হিসেবে ৮০ দশমিক ৫৫ একর জমি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য দেওয়া যেতে পারে বলে মৌখিকভাবে আশ্বস্ত করেছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান ফিরোজ বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের জমিসহ সারাদেশের ১৫টি চিনিকল এবং ৪৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা বেসরকারিকরণের গণবিরোধী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে লুটপাটের মহোৎসব বন্ধ করতে হবে।’
তিনি বলেন, রাষ্ট্রের অর্থায়নে চলতি মৌসুমেই বন্ধ থাকা চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে হবে। অন্যথায় রাষ্ট্রীয় কলকারখানার জমি ও যন্ত্রাংশ ‘হায়েনার হিংস্র থাবা’ থেকে রক্ষায় দেশের সর্বস্তরের কৃষক, আখচাষি, শ্রমিক ও দেশপ্রেমিক প্রগতিশীল জনগণকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
কমিটির নেতারা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা ও জনগণের আবেগের প্রতি তারা শ্রদ্ধাশীল। তবে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ বা দুর্বল করে কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না করে বিকল্প জমিতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: রুকুনুজ্জামান, বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: ০১৫৫৬৩০৫০২৮
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত