পাবর্তীপুর(দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের পার্বতীপুরে পাচারের সময় মাধ্যমিক পর্যায়ের বিনামূল্যে বিতরণের বিপুল পরিমাণ সরকারি বই উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে উপজেলার চন্ডিপুর এলাকা থেকে চোরাই পথে মোমিনপুর ইউনিয়নের যশাই হাটে যাওয়ার সময় আনুমানিক ৯০০ কেজি চলতি বছরের বই জব্দ করা হয়।
পুলিশ ও প্রাথমিক তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধারকৃত বইগুলো পার্বতীপুর উপজেলার হাবড়া ইউনিয়নের ঘনেশ্যামপুর কুতুব মেমোরিয়াল দাখিল মাদরাসার। ওই মাদরাসার অফিস সহায়ক কায়সার এবং সুপার জহুরুল হক অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যে সরকারি এই বইগুলো পাচার করছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ বইয়ের চালানটি জব্দ করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বই বহনকারী ভ্যানচালক এবং ঘনেশ্যামপুর গ্রামের আইয়ুব আলীর পুত্র সাজেদুর রহমানকে আটক করা হয়। পার্বতীপুর মডেল থানার এএসআই শাকিল আহমেদ বই উদ্ধার ও ভ্যানচালককে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ উঠেছে, সরকারি বই কালোবাজারে বিক্রির এই চক্রের মূল হোতা অফিস সহায়ক কায়সার ও মাদরাসার সুপারকে বাঁচাতে প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা কৌশলী ভূমিকা পালন করছেন।
ঘটনার তদন্তে আজ শনিবার দুপুরে সংশ্লিষ্ট মাদরাসায় যান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মেরাজুল ইসলাম । বই পাচারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানাবেন। অন্যদিকে, ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরাফাত আমান আজিজ সাথে মুঠো ফোনে আলাপ হলে তিনি বলেন, বিযযটি নিযে এডিএম স্যারের সাথে আলাপ হয়েছে। ইতিমধো উক্ত মাদ্রাসায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তদন্ত করার জন্য পাঠিয়েছি। তিনি ফিরে এলে আমরা বসে সিদ্বান্ত নিব। তবে অভিযুক্ত মাদরাসা সুপার জহুরুল হক দাবি করেছেন, তিনি অসুস্থ এবং এই বই পাচারের বিষয়ে কিছুই জানেন না।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পাবর্তীপুর মডেল থানার ওসি আবদুল ওয়াদুদ বলেন, উপজেলা নিবার্হী অফিসার স্যার বিযযটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মো: রুকুনুজ্জামান, বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: ০১৫৫৬৩০৫০২৮
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত