মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কয়লা উত্তোলন ফের আলোচনায়, উন্মুক্ত খনি আসলে কী! ধামইরহাটে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা বড়পুকুরিয়ায় খনির ১৬৮ শ্রমিকে পুনর্বহালের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন চলছে হিলিতে র‍্যালি, পোনা মাছ অবমুক্তকরণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত মাগুরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ – ২০২৬ এর উদ্বোধন ধামইরহাটে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ এর উদ্বোধন, র‍্যালি ও আলোচনা সভা ভারতে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জয়চন্দ্র সরকার : ত্রিভুজ প্রেমের বলি? ধামইরহাটে বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা ভারতের স্বাধীনতা দিবসে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়ায় স্টক করে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

অল্পের জন্যে প্রাণে বেঁচে গেল সুবল: মারাত্মক আহত-৭/৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম থেকে মোস্তাফিজুর রহমান :  কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের বামনাছড়া সোনারী পাড়া গ্রামের শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসকারী দুটি পরিবারের অশান্তি সৃষ্টিকারী একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনের কারণে অল্পের জন্যে প্রাণে রক্ষা পেয়েছে সুবল চন্দ্র বর্মনসহ অন্তত ৭/৮ জন। গুরুতর ছিলা, ফুলা ও জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী, উদ্ধারকারী এবং এলাকাবাসী।

ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, অনেকদিন থেকে চলাচলের রাস্তা নিয়ে শান্তিপ্রিয় দুটি পরিবারের মাঝে অশান্তির সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় পরিবার দু’টির মধ্যে ঝগড়াঝাটির সুযোগ নিয়ে অসাধু কিছু লোকজন ওদের মধ্যে ঢুকে তুচ্ছ ঘটনাকে তাল বানিয়ে তীব্র করে তোলে বলে জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী পরিবার পরিজন এবং শান্তিপ্রিয় এলাকাবাসী। এলাকাবাসী জানায় অতিসম্প্রতি যোগেন্দ্রনাথ বর্মন ভেলুর পৈত্রিক বসতবাড়ির ওপর দিয়ে রাস্তা তৈরির জন্য নটকু এবং পল্লবের মধ্যে অন্যতম ভূমিকা রাখে স্থানীয় অশান্তি সৃষ্টিকারী পরসম্পদ লোভী ভূমিদস্যু কৃষক লীগ নেতা আনিসুজ্জামান আনজু ও তার সহযোগী হিসেবে আতাউর রহমান। এলাকাবাসী জানায় আনিসুজ্জামান আনজুর অবৈধ হস্তক্ষেপের কারণে শান্তিপ্রিয় হিন্দু পরিবার দু’টির মাঝে চরম নৈরাজ্য সৃষ্টি করে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চালিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য যোগেন্দ্রনাথ বর্মন ভেলু ও অনাথ চন্দ্র বর্মন। ঘটনার দিন রোববার শেষ বিকেলে পল্লব ও নটকুসহ আরও অনেকে লাটিশোটা নিয়ে যোগেন্দ্রনাথ বর্মন এর বাড়ীর টিনের বেড়া ভাংচুর চালায়, এসময় বাধা দিতে গেলেই শুরু হয় আক্রমণ মারধর। তাদেরকে রক্ষা করতে তার কাকাতো ভাই সুবল চন্দ্র বর্মন ও তার ভাই দিলিপ ও সুবলের পুত্রকে এবং ভেলু পুলিশসহ তার ভাই অনাথ চন্দ্র বর্মনকে এলোপাতাড়ি উপর্যুপরি মারপিট করে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলা, ফুলা ও জখম করে। বর্তমানে মারাত্মকভাবে আহত সুবল, অনাথ, ভেলু পুলিশ ও সুবলের পুত্রসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৭/৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। জানা যায়, পল্লব চন্দ্র বর্মন ও নটকু গংরা স্থানীয় কতিপয় উগ্রবাদী পরসম্পদ লোভী এবং শান্তি বিনষ্টকারীদের কুমন্ত্রণায় ঘটনার দিন রোববার ২৫ জানুয়ারী শেষ বিকেলে যোগেন্দ্রনাথ বর্মন ভেলু পুলিশের পৈত্রিক বসতবাড়ির ঘেরা টিনের বেড়া ভাংচুর করে রাস্তা বের করতে গেলে ভেলু পুলিশ, সুবলের পুত্র, অনাথ চন্দ্র বর্মন, অনাথের স্ত্রী ও দিলিপ চন্দ্র বর্মনসহ উভয় পক্ষের ৭/৮ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা অমল চন্দ্র বর্মন’র পুত্র লিটন চন্দ্র বর্মনসহ এলাকাবাসী।

এ ব্যপারে উলিপুর থানার এএসআই কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এর আগে বল্লব ও নটকু গংদেরকে সতর্ক করা হয়েছে কিন্তু তাতে কোন কর্নপাত না করে ঘটনার দিন রোববার শেষ বিকেলে পল্লব’রা এ ঘটনা ঘটায় বলে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী যোগেন্দ্রনাথ বর্মন ভেলু উলিপুর থানায় এজাহার দাখিল করেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে অপর পক্ষের কয়জন কোথায় কোন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে তার কোন হদিস পাওয়া যায়নি।

পুলিশ প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ছাড়া উক্ত পরিবারের মাঝে আবারও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রাণ নাশের আশংকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকার সচেতন বাসিন্দারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews