মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কয়লা উত্তোলন ফের আলোচনায়, উন্মুক্ত খনি আসলে কী! ধামইরহাটে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা বড়পুকুরিয়ায় খনির ১৬৮ শ্রমিকে পুনর্বহালের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন চলছে হিলিতে র‍্যালি, পোনা মাছ অবমুক্তকরণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত মাগুরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ – ২০২৬ এর উদ্বোধন ধামইরহাটে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ এর উদ্বোধন, র‍্যালি ও আলোচনা সভা ভারতে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জয়চন্দ্র সরকার : ত্রিভুজ প্রেমের বলি? ধামইরহাটে বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা ভারতের স্বাধীনতা দিবসে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়ায় স্টক করে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

দিনাজপুরে এ কেমন সংকট? একদিকে বাম্পার ফলনের আশা, অন্যদিকে সার নিয়ে চলছে চরম লুকোচুরি

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

আব্দুস সালাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি ঃ

উত্তরের শস্যভাণ্ডারখ্যাত দিনাজপুরে সরিষা ও আলু উত্তোলনের পর এখন মাঠজুড়ে চলছে ইরি-বোরো ধান রোপণের মহোৎসব। তবে কৃষকের এই ব্যস্ততার মাঝে বিষাদের সুর হয়ে দাঁড়িয়েছে সারের তীব্র সংকট, বিদ্যুতের লোডশেডিং এবং সেচ পাম্পের মালিকানা নিয়ে জটিলতা। একদিকে বাম্পার ফলনের আশা, অন্যদিকে অসাধু ডিলারদের সিন্ডিকেট সব মিলিয়ে মাঠের লড়াইয়ে বিপর্যস্ত উত্তরের কৃষকরা।
দিনাজপুর কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে প্রায় ৭ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদন সম্ভব। কিন্তু বাস্তবতা যেন পরিসংখ্যানের উল্টো পিঠ।
সদর উপজেলাসহ ১৩টি উপজেলায় চলছে চারা রোপণের ধুম। বিশেষ করে ব্রি-৯০ জাতের চিকন ধানের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ এবার তুঙ্গে। জেলায় ৩০৪ জন ডিলার থাকলেও কৃষকের অভিযোগ, চাহিদার তুলনায় সার মিলছে না। ১০ বস্তার প্রয়োজনে মিলছে মাত্র ১-২ বস্তা।
২৪ ফেব্রুয়ারি চিরিরবন্দরে নিয়ম ভেঙে অন্য উপজেলায় পাচারের সময় ৮৩ বস্তা সার আটক করা হয়।
২২ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার কমলপুর বাজারে সার না পেয়ে ডিলারের অফিস ঘেরাও করেন কয়েকশ বিক্ষুব্ধ কৃষক। কৃষকদের অভিযোগ, ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে খোলা বাজারে চড়া দামে সার বিক্রি করছেন।
সার সংকটের সাথে যোগ হয়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। রাত জেগে সেচ দিতে হচ্ছে কৃষকদের। চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে ফুলবাড়ীতেও সেখানে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের ৬টি গভীর নলকূপ মালিকানা জটিলতায় বন্ধ হয়ে আছে। পানির অভাবে জমি ফেটে চৌচির হওয়ায় কৃষকেরা রাজপথে নেমে মানববন্ধন করতে বাধ্য হয়েছেন। ক্ষোভের সাথে ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, আমরা ধান লাগাবো না কি সারের পেছনে দৌড়াবো? চারা শুকিয়ে যাচ্ছে কিন্তু ডিলার বলছে সার নাই, অথচ বাইরে বেশি দামে সব পাওয়া যাচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. আনিছুজ্জামান জানান, বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বীজতলা ভালো হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews