মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কয়লা উত্তোলন ফের আলোচনায়, উন্মুক্ত খনি আসলে কী! ধামইরহাটে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা বড়পুকুরিয়ায় খনির ১৬৮ শ্রমিকে পুনর্বহালের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন চলছে হিলিতে র‍্যালি, পোনা মাছ অবমুক্তকরণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত মাগুরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ – ২০২৬ এর উদ্বোধন ধামইরহাটে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ এর উদ্বোধন, র‍্যালি ও আলোচনা সভা ভারতে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জয়চন্দ্র সরকার : ত্রিভুজ প্রেমের বলি? ধামইরহাটে বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা ভারতের স্বাধীনতা দিবসে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়ায় স্টক করে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ঘোড়াঘাটে কোটি টাকার তাঁতশিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিত্যক্ত, চুরি-লুটে উধাও মূল্যবান যন্ত্রপাতি

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

মিলন হিলি , দিনাজপুর প্রতিনিধি।
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ইসলামপুরে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বহুমুখী তাঁতশিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও কারখানা দীর্ঘদিন ধরে অচল ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রায় দুই যুগ আগে স্থাপিত এই কেন্দ্রটি বর্তমানে চোর ও লুটেরাদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে। ইতোমধ্যে কেন্দ্রটির মূল্যবান যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম ও অবকাঠামোর বিভিন্ন অংশ চুরি হয়ে যাওয়ায় প্রকল্পটির অস্তিত্বই এখন হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি অর্থায়নে নির্মিত এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নের উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ভবনটি অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হতে শুরু করেছে। নিয়মিত তদারকির অভাবে একের পর এক চুরি হচ্ছে মূল্যবান সরঞ্জামাদি।
অভিযোগ রয়েছে, ইতোমধ্যে আনুমানিক ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম চুরি হয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে সেলাই প্রশিক্ষণের মেশিন, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কক্ষের সরঞ্জাম, গভীর নলকূপের মোটর, কারখানার অভ্যন্তরে স্থাপিত দুটি টিউবওয়েলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কেন্দ্রটির অচলাবস্থার সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। সে সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর আশ্বাস দিলেও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাতের আঁধারে একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত দায়ীদের শনাক্ত বা গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাদের মতে, কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ প্রকল্পের এমন পরিণতি শুধু সরকারি সম্পদের অপচয় নয়, বরং অবহেলারও বড় উদাহরণ।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়দের দাবি, চুরি হওয়া সম্পদের তালিকা প্রস্তুত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রকল্পটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews