সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কয়লা উত্তোলন ফের আলোচনায়, উন্মুক্ত খনি আসলে কী! ধামইরহাটে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা বড়পুকুরিয়ায় খনির ১৬৮ শ্রমিকে পুনর্বহালের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন চলছে হিলিতে র‍্যালি, পোনা মাছ অবমুক্তকরণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত মাগুরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ – ২০২৬ এর উদ্বোধন ধামইরহাটে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ এর উদ্বোধন, র‍্যালি ও আলোচনা সভা ভারতে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জয়চন্দ্র সরকার : ত্রিভুজ প্রেমের বলি? ধামইরহাটে বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা ভারতের স্বাধীনতা দিবসে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়ায় স্টক করে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

যান্ত্রিক ত্রুটিতে বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে

পার্বতীপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের চালু থাকা সর্বশেষ ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ১২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে উত্তরাঞ্চলের অন্তত ৮ জেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বয়লারের পাইপ লিকেস হয়ে যাওয়া এবং কুলিং ফ্যান ভেঙে যাওয়ার কারণে রাত ১০টা ১০ মিনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি বলেন, “মেরামত কাজ চলছে। উৎপাদন পুনরায় চালু করতে ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে।”

এর আগে দীর্ঘদিন ধরে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিট এবং ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ নম্বর ইউনিট বন্ধ রয়েছে।

উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ২ নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কার কাজের কারণে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়ে উৎপাদন চালানো হচ্ছিল।

তবে এই ইউনিটগুলোও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে পড়ে। গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর) বয়লার লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইন সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো সমস্যায় উৎপাদন বন্ধ হয়েছিল।

বারবার এমন ত্রুটির কারণে পুরোনো এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এতে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত থাকলেও চাহিদা অনুযায়ী তা পাওয়া যাচ্ছে না। চলমান ভ্যাপসা গরমে (৩৫–৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস) পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। দিন-রাত বিভিন্ন সময়ে লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews