
মোঃ সাইফুল্লাহ, মাগুরা প্রতিনিধি // মধু মাসের আগেই মাগুরার বাজারে সয়লাব হয়ে গেছে অপরিপক্ক লিচু। মধু মাস এখনো শুরুই হয়নি অথচ মাগুরার হাটে বাজারে দেখা মিলছে অপরিপক্ক লিচুর। এ লিচু আকারে ছোট, স্বাদে টক এবং রাসায়নিক ব্যবহার করে পাকানো এসব লিচু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞজনেরা।
মাগুরার পুরাতন বাজার, নতুন বাজার, জামরুলতলা, ঢাকা রোড,ভায়না মোড়, কলেজের সামনে রাস্তার পাশে শ্রীপুরের নতুন বাজার, পুরাতন বাজার, খামারপাড়্ বাজারে এসব অপরিপক্ক লিচু বিক্রি করতে দেখা গেছে। বিক্রেতারা বলেন, বাগান থেকে আগাম জাতের লিচু ক্রয় করেছেন তারা। তারা আরো বলছেন, বাগানের মালিক বৃষ্টিতে লিচু নষ্ট হওয়ার ভয়ে আগেই বাগান থেকে বিক্রি করে দিচ্ছেন। তাই একটু বেশি লাভের আশায় আগে ভাগেই বাগান থেকে সংগ্রহ করছেন বিক্রেতারা।
লিচু অনেক ক্রেতারা বলেন, আমাদের ছেলে মেয়েরা লিচু খুব পছন্দ করে তাই বাজারে এসেছি লিচু কিনতে। কিন্তু লিচু কিনতে এসে দেখি বাজারের এই লিচুগুলো এখনো পরিপক্ক হয়নি। লিচুগুলো স্বাদে টক ও মিষ্টি কম। দাম অনেকটাই হাতের নাগালে থাকায় সংগ্রহ করেছি।
, বর্তমান বাজারে ছোট ছোট বিভিন্ন সাইজের লিচু বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। এখনো জৈষ্ঠ্য মাস আসেনি আগেই বাজারে অপরিপক্ক লিচু দেখা যাচ্ছে। জেষ্ট্য এর আগেই লিচু কল্পনা করা যায় না। অপরিপক্ক লিচুতে অনেকটা স্বাস্থ্যের ঝুঁকি রয়েছে।
কৃষি বিভাগ বলছে, বাজারের যেসব কিছু দেখা যাচ্ছে তা এখনো পরিপক্ক হয়নি। ভালো লিচু আসতে এখনো ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগবে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক লাভের আশায় বাগান থেকে অপরিপক্ক লিচু ক্রয় করছে। অপরিপক্ক লিচু খেতে টক ও স্বাদে মিষ্টি কম। আবার অনেক সময় অপরিপক্ক লিচু খেলে স্বাস্থ্যগত সমস্যাও হতে পারে।
এদিকে লিচুর বাগান মালিক আকামত বলেন, এক গাছে সব লিচু একসাথে পাকে না। কিছু পাকা থাকে কিছু কাচা। আবার বাদুর ও পাখি আক্রমণে লিচুর ক্ষতি হয়। আইনি কারণে গাছে জাল ব্যবহার করা যায় না। অনেক সময় বাধ্য হয়ে বাগান মালিকরা আংশিক লিচু বিক্রি করে দেন। তিনি আরো বলেন এবার ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ব্যাপক। ঝড় বৃষ্টি বেশি হলে লিচুর ক্ষতি হতে পারে এই ভয়ে মালিকরা অপরিপক্ক লিচু বিক্রি করে দেন।
আরেক মালিক ওয়াসিকুর রহমান বলেন- আমার গাছে লিচুর ঁভাড়ে ডাল ভেঙ্গে যাচ্ছে, তাই অপরিপক্ক লিচুই বিক্রি করতে হচ্ছে।