1. live@www.manabkotha.com : মানবকথা ডটকম : মানবকথা ডটকম
  2. info@www.manabkotha.com : মানবকথা ডটকম :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পার্বতীপুরে জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পার্বতীপুরে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের পায়তারা বন্ধে ব্যাংক কর্মচারীদের ১ ঘন্টা কর্ম বিরতীর দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত JackpotPiraten Casino Anmelden – Registrieren und Online-Casino Spielen NV Casino No Deposit Bonus Codes: Online-Casino spielen mit Gratis-Startguthaben Software di Trading Automatizzato: Massimizza i Tuoi Profitti in Borsa দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় ১২ শত কোটি টাকার লিচু বাণিজ্যের সম্ভাবনা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পার্বতীপুর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন মধ্যপাড়া পাথর খনির নতুন এমডি আমজাদ হোসেন দিনাজপুরে ফ্যাসিবাদের দোসর খুরশীদ আলমের পদত্যাগ ও কামাল জসীমের বহিষ্কার দাবিতে সচেতন গ্রাহক ফোরামের মানববন্ধন

পৈত্রিক জমি থেকে বঞ্চিত ৪ বোন: কাহারোলে ভাইয়ের দখলে ১৬৮ শতাংশ জমি

মানবকথা ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

 

আব্দুস সালাম, ​দিনাজপুর প্রতিনিধি :

পৈত্রিক ভিটেমাটির অধিকার ফিরে পেতে দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ঈশানপুর গ্রামের চার বোন। নিজ ভাইয়ের প্রতারণা ও প্রভাবশালী দাপটের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছেন নুরজাহান, নুর নাহার, সামসুন নেহার ও কুলসুম নেহার নামে এই চার নারী। অভিযোগ উঠেছে, ১৯৯৮ সাল থেকে তাদের প্রাপ্য ১৬৮ শতাংশ জমি জবরদখল করে ভোগ করছেন বড় ভাই গোলাম মোস্তফা ওরফে গোলাপ।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাহারোল উপজেলার মুটনি হাট নিবাসী মরহুম মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিন (মোল্লা সাহা) এলাকায় একজন অত্যন্ত সজ্জন ও সুপরিচিত ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর রেখে যাওয়া প্রায় ১৬ বিঘা জমি তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে বণ্টন করা হয়। ১৯৯৮ সালে কাহারোল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের একটি বণ্টননামা দলিল মূলে চার বোনকে ৪২ শতাংশ করে জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু শরীয়াহ মোতাবেক ফারায়েজ অনুযায়ী প্রতি বোনের প্রাপ্য ছিল ৭০ শতাংশ জমি। অর্থাৎ দলিলেই তাদের প্রত্যেককে ২৮ শতাংশ করে জমি কম দিয়ে শুরুতেই বঞ্চনার জাল বোনা হয়।
​ভুক্তভোগী বোনদের অভিযোগ, ১৯৯৮ সালের সেই বণ্টনের পর থেকেই তাদের প্রাপ্য মোট ১৬৮ শতাংশ জমি ভাই গোলাম মোস্তফা নিজের দখলে রেখেছেন। গত ২৮ বছরে সেই জমির ফসলের কোনো অংশ বা আর্থিক সুবিধা বোনদের দেওয়া হয়নি। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, প্রতি বছর ২০ হাজার টাকা হিসেবে প্রতি বোনের ফসলি পাওনা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। চার বোনের মোট পাওনা প্রায় ২২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন ওই প্রভাবশালী ভাই।
​অভিযোগ রয়েছে, বোনরা যাতে ভবিষ্যতে জমি বিক্রি করতে না পারেন, সেজন্য কৌশলে তাদের জমি এক বা দুই দাগে না দিয়ে ৪/৫টি ভিন্ন ভিন্ন দাগে ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বোনরা অসুস্থ ও অর্থকষ্টে ভুগলেও ভাই গোলাপ তাদের ন্যায্য হিস্যা না দিয়ে উল্টো ২০-৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে সম্পূর্ণ জমি লিখে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রলোভন ও চাপ সৃষ্টি করছেন।
​বণ্টননামার সময় সালিশে উপস্থিত থাকা প্রতিবেশী তাজউদ্দীন জানান, আমি সেই সালিশে ছিলাম। জমিগুলো দেখাশোনার কথা বলে এক ভাই নিজের জিম্মায় নিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বোনদের কোনো ভাগ না দিয়ে নিজেই সব ভোগদখল করছেন। ক্ষমতার দাপটে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।
​ভুক্তভোগী বোনদের মধ্যে অনেকেই বর্তমানে কঠিন রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসার খরচ চালানোর মতো সামর্থ্যও তাদের নেই। অথচ নিজের বাবার রেখে যাওয়া সম্পদে তাদের অধিকার থাকলেও তারা আজ নিজ ভূমিতে পরবাসী। এই চার বোন তাদের ন্যায্য পাওনা বুঝে পেতে এবং দীর্ঘ ২৮ বছরের বঞ্চনার বিচার চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন নাগরিক সমাজের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট