
পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ল্যাম্ব (LAMB) হাসপাতালের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পাঁচ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী ও সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে। ১৯৭৬ থেকে ২০২৬—দীর্ঘ পাঁচ দশকের সেবার পথচলা স্মরণীয় করে রাখতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ আয়োজন করা হয়।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় পার্বতীপুরে ল্যাম্ব হাসপাতাল প্রাঙ্গণে সুবর্ণজয়ন্তীর মূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং পার্বতীপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম শাহ।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. জেগান আল মুসা, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর কবির, রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ওয়াজেদ আলী, বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা পরিচালক বিশ্ব কুমার দাস, দিনাজপুরের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল রাখি, পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ, পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ মাহমুদুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, চিকিৎসক, ল্যাম্বের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ল্যাম্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. ক্রিস্টিন লুইস প্রেঙ্গার। অতিথিদের বক্তব্যে ল্যাম্বের পাঁচ দশকের স্বাস্থ্যসেবা, মানবিক কার্যক্রম এবং স্থানীয় জনগণের চিকিৎসাসেবায় প্রতিষ্ঠানটির অবদানের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এ সময় প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ পথচলার স্মৃতিচারণ, তথ্যচিত্র প্রদর্শন এবং অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, ওয়ার্ল্ড মিশন প্রেয়ার লীগ (ল্যাম্ব)-এর উদ্যোগে ১৯৭৬ সালে পার্বতীপুরে যাত্রা শুরু করা এ প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাঁচ দিনব্যাপী পুনর্মিলনী ও সুবর্ণজয়ন্তী আয়োজনের শেষ দিন ছিল শনিবার।