বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পার্বতীপুরে রংপুরের হোটেল শ্রমিক শাওন হত্যার প্রতিবাদে সমাবেশ ও মানববন্ধন মাগুরার শ্রীপুরে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে পল্লী প্রাণি চিকিৎসকদের নিয়ে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত খুলনার বিভাগীয় সমাবেশ, রুপ নিয়েছিলো জনসমুদ্রে! ধামইরহাটে পৃথক ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীসহ ৪ জন গ্রেপ্তার মাগুরায় স্বাস্থ্য সেবার মান বাড়াতে মাগুরা ডায়াবেটিক হাসপাতালে সিসি ক্যামেরার উদ্বোধন পার্বতীপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের শ্রমিক প্রতিনিধি নির্বাচন সম্পন্ন মাগুরায় খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত পার্বতীপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের তারাগঞ্জে সরকারি আবাসিক ভবনে ১০ বছর ধরে অবৈধ ভাবে বসবাস করছেন আওয়ামী লীগ নেতা

অল্পের জন্যে প্রাণে বেঁচে গেল সুবল: মারাত্মক আহত-৭/৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম থেকে মোস্তাফিজুর রহমান :  কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের বামনাছড়া সোনারী পাড়া গ্রামের শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসকারী দুটি পরিবারের অশান্তি সৃষ্টিকারী একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনের কারণে অল্পের জন্যে প্রাণে রক্ষা পেয়েছে সুবল চন্দ্র বর্মনসহ অন্তত ৭/৮ জন। গুরুতর ছিলা, ফুলা ও জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী, উদ্ধারকারী এবং এলাকাবাসী।

ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, অনেকদিন থেকে চলাচলের রাস্তা নিয়ে শান্তিপ্রিয় দুটি পরিবারের মাঝে অশান্তির সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় পরিবার দু’টির মধ্যে ঝগড়াঝাটির সুযোগ নিয়ে অসাধু কিছু লোকজন ওদের মধ্যে ঢুকে তুচ্ছ ঘটনাকে তাল বানিয়ে তীব্র করে তোলে বলে জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী পরিবার পরিজন এবং শান্তিপ্রিয় এলাকাবাসী। এলাকাবাসী জানায় অতিসম্প্রতি যোগেন্দ্রনাথ বর্মন ভেলুর পৈত্রিক বসতবাড়ির ওপর দিয়ে রাস্তা তৈরির জন্য নটকু এবং পল্লবের মধ্যে অন্যতম ভূমিকা রাখে স্থানীয় অশান্তি সৃষ্টিকারী পরসম্পদ লোভী ভূমিদস্যু কৃষক লীগ নেতা আনিসুজ্জামান আনজু ও তার সহযোগী হিসেবে আতাউর রহমান। এলাকাবাসী জানায় আনিসুজ্জামান আনজুর অবৈধ হস্তক্ষেপের কারণে শান্তিপ্রিয় হিন্দু পরিবার দু’টির মাঝে চরম নৈরাজ্য সৃষ্টি করে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চালিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য যোগেন্দ্রনাথ বর্মন ভেলু ও অনাথ চন্দ্র বর্মন। ঘটনার দিন রোববার শেষ বিকেলে পল্লব ও নটকুসহ আরও অনেকে লাটিশোটা নিয়ে যোগেন্দ্রনাথ বর্মন এর বাড়ীর টিনের বেড়া ভাংচুর চালায়, এসময় বাধা দিতে গেলেই শুরু হয় আক্রমণ মারধর। তাদেরকে রক্ষা করতে তার কাকাতো ভাই সুবল চন্দ্র বর্মন ও তার ভাই দিলিপ ও সুবলের পুত্রকে এবং ভেলু পুলিশসহ তার ভাই অনাথ চন্দ্র বর্মনকে এলোপাতাড়ি উপর্যুপরি মারপিট করে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলা, ফুলা ও জখম করে। বর্তমানে মারাত্মকভাবে আহত সুবল, অনাথ, ভেলু পুলিশ ও সুবলের পুত্রসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৭/৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। জানা যায়, পল্লব চন্দ্র বর্মন ও নটকু গংরা স্থানীয় কতিপয় উগ্রবাদী পরসম্পদ লোভী এবং শান্তি বিনষ্টকারীদের কুমন্ত্রণায় ঘটনার দিন রোববার ২৫ জানুয়ারী শেষ বিকেলে যোগেন্দ্রনাথ বর্মন ভেলু পুলিশের পৈত্রিক বসতবাড়ির ঘেরা টিনের বেড়া ভাংচুর করে রাস্তা বের করতে গেলে ভেলু পুলিশ, সুবলের পুত্র, অনাথ চন্দ্র বর্মন, অনাথের স্ত্রী ও দিলিপ চন্দ্র বর্মনসহ উভয় পক্ষের ৭/৮ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা অমল চন্দ্র বর্মন’র পুত্র লিটন চন্দ্র বর্মনসহ এলাকাবাসী।

এ ব্যপারে উলিপুর থানার এএসআই কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এর আগে বল্লব ও নটকু গংদেরকে সতর্ক করা হয়েছে কিন্তু তাতে কোন কর্নপাত না করে ঘটনার দিন রোববার শেষ বিকেলে পল্লব’রা এ ঘটনা ঘটায় বলে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী যোগেন্দ্রনাথ বর্মন ভেলু উলিপুর থানায় এজাহার দাখিল করেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে অপর পক্ষের কয়জন কোথায় কোন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে তার কোন হদিস পাওয়া যায়নি।

পুলিশ প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ছাড়া উক্ত পরিবারের মাঝে আবারও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রাণ নাশের আশংকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকার সচেতন বাসিন্দারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews