1. live@www.manabkotha.com : মানবকথা ডটকম : মানবকথা ডটকম
  2. info@www.manabkotha.com : মানবকথা ডটকম :
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রানা প্লাজার ‘বিদ্রোহী’ নাসিমার প্রাণ গেল দৌলতদিয়া বাস ডুবি দুর্ঘটনায়, পার্বতীপুরে শোক ধামইরহাটে সরকারি নগদ অর্থ বিতরণ করলেন জামায়াত এমপি এনামুল হক দেশের কৃষি খাতকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার: ডা. জাহিদ হোসেন স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পার্বতীপুরে জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা ও দোয়া হিলি স্থলবন্দরে ২০৩ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি পার্বতীপুরে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে রক্তদান: ইসলামের দৃষ্টিতে মানবসেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তারাগঞ্জে ব্যতিক্রমী আয়োজন, চাঁদ দেখাকে ঘিরে আনন্দ র‍্যালি সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দিনাজপুরের ৬ উপজেলায় আগাম ঈদ উদযাপন মিলেনিয়াম এসোসিয়েশন অব পাবর্তীপুরের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  পার্বতীপুরে ইসলামী সংস্কৃতি চর্চায় শিল্পী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

রানা প্লাজার ‘বিদ্রোহী’ নাসিমার প্রাণ গেল দৌলতদিয়া বাস ডুবি দুর্ঘটনায়, পার্বতীপুরে শোক

মানবকথা ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

 

পার্বতীপুর প্রতিনিধিঃ
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন আলোচিত রানা প্লাজার ‘বিদ্রোহী’ নাসিমা বেগম (৪০)। তার মৃত্যুতে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য আটরাই গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শুক্রবার বাদ জোহর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

নিহত নাসিমা পার্বতীপুর উপজেলার ৪ নম্বর পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য আটরাই গ্রামের মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী। স্বামী মারা যাওয়ার পর জীবিকার তাগিদে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কাজের সন্ধানে সাভারে ভাগ্নি আজমিরা খাতুনের বাসায় যান। এক মাস চেষ্টা করেও চাকরি না পেয়ে ঈদ উপলক্ষে ভাগ্নির শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুরে অবস্থান করেন।

ঘটনার দিন (২৫ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে তিনি ভাগ্নি অন্তঃসত্ত্বা আজমিরা খাতুন, চার বছরের শিশু আব্দুর রহমান ও আজমিরার স্বামী আব্দুল আজিজ আজাদকে নিয়ে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে বাসে রওনা দেন। পথে পদ্মা নদীতে বাস দুর্ঘটনার সময় সবাই নিখোঁজ হন। পরে ভাগ্যক্রমে আব্দুল আজিজ জীবিত উদ্ধার হলেও প্রায় ছয় ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাসিমা, তার ভাগ্নি ও শিশুসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সযোগে পার্বতীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হন স্বজনরা। পথে কুষ্টিয়া এলাকায় লাশবাহী গাড়ির চাকা বিস্ফোরিত হয়ে সাময়িক দুর্ঘটনায় পড়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের চাচাতো ভাই জুলফিকার আলী ভুট্টু।

তিনি জানান, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার সময় সেখানে কর্মরত ছিলেন নাসিমা। স্বামীর মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে ঢাকায় কাজের সন্ধানে যাওয়াই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।

পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আ. ওয়াদুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদ্দাম হোসেন জানান, জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, পার্বতীপুরের নাসিমা বেগম ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজা ধসের একজন সাহসী জীবিত উদ্ধারপ্রাপ্ত শ্রমিক ছিলেন। ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে তিন দিন আটকে থাকার পর অলৌকিকভাবে তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। পরে তিনি গ্রামের বাড়িতেই বসবাস করছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট