1. live@www.manabkotha.com : মানবকথা ডটকম : মানবকথা ডটকম
  2. info@www.manabkotha.com : মানবকথা ডটকম :
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পহেলা বৈশাখ মঙ্গল শোভাযাত্রার নেপথ্যে ইতিহাস গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জ্বালানী সংকট নিরসনের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ডাকে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ ও সমাবেশ ধামইরহাটে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মাঝে ছাগল বিতরণ রংপুরের তারাগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বীজ-সার বিতরণ ও হুইলচেয়ার প্রদান হিলিতে কলেজ ছাত্রীর নিখোঁজ: পরিবারে আহাজারি, দ্রুত উদ্ধারের দাবি র‍্যাব-১৩ অভিযান পার্বতীপুরে ১২০০ লিটার পেট্রোল জব্দ ও জরিমানা ধামইরহাটে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদ্বোধন বেরোবিতে ইতিহাস বিভাগের আয়োজনে প্রত্নপ্রদর্শনী: ফিরে দেখা প্রাচীন ঐতিহ্য এসো গড়ি-র মানবিক উদ্যোগ: মেধাবীদের সংবর্ধনা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান ঘোড়াঘাটে কোটি টাকার তাঁতশিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিত্যক্ত, চুরি-লুটে উধাও মূল্যবান যন্ত্রপাতি

ক্ষোভ ও সম্পত্তির ভাগ পেতে শিশু শামস্‌কে হত্যা করেছে তার আপন চাচাতো ভাই

আব্দুস সালাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

 

আব্দুস সালাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি :
ক্ষোভ ও সম্পত্তির ভাগ পেতে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সাত বছরের শিশু শামস্‌কে হত্যা করেছে তার আপন চাচাতো ভাই আমানুল ইসলাম আমান।

আজ রবিবার ( ১ মার্চ) সকালে দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানিয়েছেন
দিনাজপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আনোয়ার হোসেন।

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ শনিবার
বিকেলে আটক করে আজ রবিবার প্রেস ব্রিফিং এর পর আদালতে সোপর্দ করেছে।

পুলিশ জানায়,শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮ টায় দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের আমরুলবাড়ী ডাঙাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশী তৎপরতায় বেরিয়ে এসেছে মইনুল ইসলামের ছেলে সিরাজুল আল সামস (৭) কে হত্যা করেছে তারই আপন চাচাতো ভাই আমানুল ইসলাম আমান(২১)।
দিনাজপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আনোয়ার হোসেন বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আমানের জবানবন্দি অনুযায়ী চাচীর প্রতি দীর্ঘদিনের ক্ষোভ এবং চাচার সম্পত্তির লোভ থেকেই সে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আমানের দাবি অনুযায়ী তার চাচী তাকে অবহেলা করতেন, অপরদিকে চাচাতো ভাই সামস ও তার পরিবার ভালোভাবে জীবনযাপন করছিল এ থেকেই তার মধ্যে হিংসা ও বিদ্বেষ তৈরি হয়।
ঘটনার দিন শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আমান একটি পাঞ্জাবি সেলাইয়ের কথা বলে তার চাচীর বাড়িতে যায়। সেখান থেকে কৌশলে সামসকে বাইরে ডেকে নিয়ে আসে। পরে বাড়ির পাশের একটি মাদ্রাসার কক্ষে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে তাকে হত্যা করে।
নিশ্চিত হওয়ার পর পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে মরদেহ ফেলে রেখে আসে সে।
পরবর্তীতে সামসের মা ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে আমানের কাছে জানতে চাইলে সে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ভুট্টাক্ষেত থেকে সামসের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট