শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে বাইরে পাঠানোর অভিযোগে, পরীক্ষার্থীর কারাদণ্ড এনসিপির দিনাজপুর জেলা শাখার ১১ সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন পার্বতীপুরে ১৫০ পূজামণ্ডপে ৯৮৪ আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন উপজেলা বিএনপির শীর্ষ দুই পদে প্রধান শিক্ষক বল্লেন চাকরি ছেড়ে দেবো ব্যারিস্টার সালেহী এমপির উদ্যোগে উলিপুরের প্রতিটি মন্দির পাচ্ছে টিউবয়েল কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ১৪৬ বোতল বিদেশি মদসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ পার্বতীপুরে রেল পরিদর্শন মোটর ট্রলি ভেঙে ৫ জন আহত, পিডব্লিউআই গুরুতর জাতীয় সংসদের কেবিনেট কক্ষে আয়োজিত সভায় ব্যারিস্টার সালেহী এমপি সেতাবগঞ্জ স্টেশনের মূল গেট বন্ধ, যাত্রীদের ভোগান্তি রাজারহাটে শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার, চলছে মোটরসাইকেল পেট্রোলিং

রোজার শেষদিকে জমে উঠেছে দিনাজপুরের ঈদ বাজার

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

আব্দুস সালাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি:

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে উত্তরের সীমান্ত শহর দিনাজপুরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। শহরের বিপণিবিতান থেকে শুরু করে ফুটপাত সবখানেই এখন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। তবে এবারের চিত্র অন্যান্য বছরের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন। বিশেষ করে ভিসা জটিলতার কারণে যারা কেনাকাটা করতে প্রতিবেশী দেশে যেতে পারেননি, তারা এখন স্থানীয় বাজারেই ভিড় করছেন।
দিনাজপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী মালদহ পট্টি, জেলরোড ও বাহাদুরবাজার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা। মালদহ পট্টির বড় শোরুমগুলোতে নারীদের শাড়ি ও থ্রি-পিস কেনার যেন প্রতিযোগিতা চলছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, এবার তরুণীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানি ড্রেস। জেলরোড এলাকার গার্মেন্টস দোকানগুলোতেও তিল ধারণের জায়গা নেই, সেখানে মূলত শিশুদের বাহারি পোশাকের চাহিদা বেশি।
তবে কেনাকাটার এই আনন্দের মাঝেও বিষাদের সুর হয়ে দেখা দিয়েছে দ্রব্যমূল্য। বাজারে আসা অনেক ক্রেতাই অভিযোগ করেছেন, গত বছরের তুলনায় প্রতিটি পোশাকে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দাম হাঁকানো হচ্ছে। এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে কাপড়ের দাম আগে ছিল ১২০০ টাকা, তা এখন ২৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য এবারের ঈদ বাজেট মেলাতে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের দাবি, কাপড়ের মান ও বর্তমান বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী দাম খুব বেশি নয়। রোজার প্রথম দিকে বিক্রি কিছুটা কম থাকলেও মাঝামাঝি সময় থেকে ক্রেতাদের সমাগম বাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। সীমান্ত পেরিয়ে ওপাড়ে কেনাকাটা করতে যাওয়ার যে রেওয়াজ দীর্ঘদিনের, এবার ভিসা বিড়ম্বনায় তাতে ছেদ পড়েছে। তবে দিনাজপুরের বিপণিবিতানগুলোতে হরেক রকমের দেশি-বিদেশি পোশাকের পসরা বসায় আক্ষেপ ভুলে স্থানীয় বাজারেই কেনাকাটা সেরে নিচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews