শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে বাইরে পাঠানোর অভিযোগে, পরীক্ষার্থীর কারাদণ্ড এনসিপির দিনাজপুর জেলা শাখার ১১ সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন পার্বতীপুরে ১৫০ পূজামণ্ডপে ৯৮৪ আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন উপজেলা বিএনপির শীর্ষ দুই পদে প্রধান শিক্ষক বল্লেন চাকরি ছেড়ে দেবো ব্যারিস্টার সালেহী এমপির উদ্যোগে উলিপুরের প্রতিটি মন্দির পাচ্ছে টিউবয়েল কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ১৪৬ বোতল বিদেশি মদসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ পার্বতীপুরে রেল পরিদর্শন মোটর ট্রলি ভেঙে ৫ জন আহত, পিডব্লিউআই গুরুতর জাতীয় সংসদের কেবিনেট কক্ষে আয়োজিত সভায় ব্যারিস্টার সালেহী এমপি সেতাবগঞ্জ স্টেশনের মূল গেট বন্ধ, যাত্রীদের ভোগান্তি রাজারহাটে শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার, চলছে মোটরসাইকেল পেট্রোলিং

ক্ষোভ ও সম্পত্তির ভাগ পেতে শিশু শামস্‌কে হত্যা করেছে তার আপন চাচাতো ভাই

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৫১ বার পড়া হয়েছে

 

আব্দুস সালাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি :
ক্ষোভ ও সম্পত্তির ভাগ পেতে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সাত বছরের শিশু শামস্‌কে হত্যা করেছে তার আপন চাচাতো ভাই আমানুল ইসলাম আমান।

আজ রবিবার ( ১ মার্চ) সকালে দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানিয়েছেন
দিনাজপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আনোয়ার হোসেন।

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ শনিবার
বিকেলে আটক করে আজ রবিবার প্রেস ব্রিফিং এর পর আদালতে সোপর্দ করেছে।

পুলিশ জানায়,শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮ টায় দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের আমরুলবাড়ী ডাঙাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশী তৎপরতায় বেরিয়ে এসেছে মইনুল ইসলামের ছেলে সিরাজুল আল সামস (৭) কে হত্যা করেছে তারই আপন চাচাতো ভাই আমানুল ইসলাম আমান(২১)।
দিনাজপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আনোয়ার হোসেন বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আমানের জবানবন্দি অনুযায়ী চাচীর প্রতি দীর্ঘদিনের ক্ষোভ এবং চাচার সম্পত্তির লোভ থেকেই সে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আমানের দাবি অনুযায়ী তার চাচী তাকে অবহেলা করতেন, অপরদিকে চাচাতো ভাই সামস ও তার পরিবার ভালোভাবে জীবনযাপন করছিল এ থেকেই তার মধ্যে হিংসা ও বিদ্বেষ তৈরি হয়।
ঘটনার দিন শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আমান একটি পাঞ্জাবি সেলাইয়ের কথা বলে তার চাচীর বাড়িতে যায়। সেখান থেকে কৌশলে সামসকে বাইরে ডেকে নিয়ে আসে। পরে বাড়ির পাশের একটি মাদ্রাসার কক্ষে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে তাকে হত্যা করে।
নিশ্চিত হওয়ার পর পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে মরদেহ ফেলে রেখে আসে সে।
পরবর্তীতে সামসের মা ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে আমানের কাছে জানতে চাইলে সে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ভুট্টাক্ষেত থেকে সামসের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews