
কুড়িগ্রাম থেকে মোস্তাফিজুর রহমান : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৩ টার দিকে ভূরুংগামারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের সামাদের ঘাট সংলগ্ন দূর্গম ইসলামপুর চরে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া বিস্তীর্ণ কাশবনে গড়ে উঠেছিল মাদক, জুয়া, পতিতাবৃত্তি ও বাইজি দিয়ে অশ্লীল নাচের আসর। অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় কিছু যুবক এই দূর্গম কাশবনের চরে চা/কফি শপের নামে মূলত মাদক,পতিতাবৃত্তি ও বাইজি নৃত্যের আসর পরিচালনা করে আসছিলো। ভূরুংগামারী উপজেলার স্কুলগামী ছেলে মেয়েরা স্কুল ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন এই কাশবনের চরে অবস্থান করে অসামাজিক কার্যকালাপে লিপ্ত হতো। এছাড়া সন্ধ্যা হলেই কফি শপের ডিজে নাচের স্টেজে নর্তকী ভাড়া করে এনে অশ্লীল নৃত্যের পাশাপাশি মাদক সেবন ও উন্মুক্ত কাশবনে পতিতাবৃত্তি পরিচালনা করা হতো। দূর্গম চর, বিস্তীর্ণ কাশবন ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণের উক্ত স্থানে থানা পুলিশের পক্ষে নজরদারি ও নিরাপত্তাবিধান করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছিলো। স্থানীয় কিশোর কিশোরীদের নৈতিক অবক্ষয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল এই কফিশপ ও ডিজে পার্টি।
সচেতন মহলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুড়িগ্রামের ভূরুংগামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ও ভূরুংগামারী থানার অফিসার ইনচার্জ আজিম উদ্দিনের নেতৃত্ব থানা পুলিশের একটি দল প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামপুলিশকে সাথে নিয়ে দূর্গম চরে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে পতিতাবৃত্তি, অশ্লীল নাচ, মাদক ও জুয়ার আসরসহ সকল প্রকারের অসামাজিক কার্যকালাপের এই আস্তানা গুড়িয়ে দেয়। এই অভিযানে ফলে স্থানীয় সচেতন অভিভাবক ও এলাকাবাসী স্বস্থি এবং একইসাথে পুলিশের এমন ভালো কাজের ভূয়সি প্রশংসা করেছেন। এলাকায় সকল প্রকার অসামাজিক কাজকর্ম বন্ধের দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।