
ধামইরহাটে প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে দ্বন্দ্বের রুপ নেয় সংঘর্ষে
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর ধামইরহাটে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করাকে কেন্দ্র করে আপন ভাতিজার সঙ্গে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চাচাতো ভাই মাহফুর রহমানের স্ত্রী নাইচ বেগম (১৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার উত্তর দূর্গাপুর গ্রামে। এঘটনায় ৪ জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলো- নাজির হোসেনের (৬৮) ও তার দুই ছেলে মো. জালাল হোসেন (৩৫), মো. সোস্তাফিজুর রহমান (৩২) ও নাজিরের স্ত্রী সালেহা বেগম (৫৫) ও পুত্রবধূ শায়লা বেগম (২৪)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দূর্গাপুর গ্রামের বেলাল হোসেন ও বড় ভাই নাজির হোসেনের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে বাড়ির সীমানা প্রাচির সংক্রান্ত বিষয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। এর মধ্যে ওই জমিতে গত শুক্রবার সকালে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ করতে গেলে প্রাচীর নির্মাণের স্থান ও সীমানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাক-বিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে অভিযুক্ত জালাল হোসেন ইট দিয়ে নাইচ বেগমের মাথায় আঘাত করলে মাথার উপরি ভাগ কেটে গিয়ে পর্যাপ্ত রক্ত ক্ষরন শেষে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বগুড়া টিএমএসএস হাসপালে নিলে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেলে কলেজে ভর্তি করানো হয়। পরে নাইচ বেগমের মা হেলেনা বেগম বাদি হয়ে থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে বেলাল হোসেন বলেন, আমার জায়গার উপরে প্রাচির নির্মাণ করেন আমার ভাতিজা জালাল হোসেন। আমি ও আমার পুত্রবধু নাইচ বাঁধা দিতে গেলে তারা আমার পুত্রবধুকে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। বর্তমানে সে গুরতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমি প্রশাসনের নিকট এর সুষ্টু বিচার দাবি করছি।
অভিযুক্ত জালাল হোসেন জানান, আমরা আমাদের নিজস্ব জায়গার উপরে প্রাচির নির্মাণ কাজ করছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের কাজে বাঁধা দিয়েছে এবং আমার মা সালেহা বেগমকে নাইচ প্রথমে মারধর করেন।
ধামইরহাট থানার ওসি মিন্টু রহমান বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। “ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে”। তদন্ত শেষে ঘটনায় জড়িত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।